


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সাতসকালে গলা থেকে সোনার চেন টেনে নিয়ে ছিনতাই করে পালালো বাইক বাহিনী। দিল্লিতে। আক্রান্ত মহিলা তাঁর বাসভবনের কাছেই মর্নিং ওয়াকে বেরিয়েছিলেন। সঙ্গী ছিলেন আরও একজন। দিল্লির পাড়ায় পাড়ায় এমন ঘটনার বিশেষ তাৎপর্য নেই। অভিজাত পাড়া থেকে জনবহুল স্থান— সর্বদাই এই ধরনের অপরাধ কাহিনি শোনা যায়। কিন্তু সোমবার সকালে হওয়া এই ছিনতাইয়ের গুরুত্ব তুলনায় অনেক বেশি। কারণ, যাঁর গলার হার ছিনতাই করে পালাল বাইক বাহিনী, তিনি দিল্লির সাধারণ নাগরিক নন, একজন সংসদ সদস্যা। তামিলনাড়ু থেকে নির্বাচিত লোকসভার কংগ্রেস সদস্য রামকৃষ্ণণ সুধা। আর তাঁর সঙ্গীও ছিলেন আরও এক এমপি। যিনি রাজ্যসভার সদস্য। ঘটনাটির বিপজ্জনক বার্তা এখানেই শেষ হচ্ছে না। প্রথমত দুই এমপি আক্রান্ত। আর দ্বিতীয়ত হল, এই ঘটনা সকাল ৬টা ১৫ নাগাদ হয়েছে নয়াদিল্লির চাণক্যপুরী এলাকায়। যা দিল্লির সবথেকে হাই প্রোফইল ও হাই সিকিউরিটি জোন। চাণক্যপুরীতে রয়েছে বিশ্বের তাবৎ রাষ্ট্রের দূতাবাস। এই এলাকাতেই অবস্থিত লোককল্যাণ মার্গ। অর্থাৎ স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবন। এমপি রামকৃষ্ণণ সুধা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জানিয়েছেন যে, পোলান্ড দূতাবাসের সামনে দিয়ে তিনি যখন হাঁটছিলেন, তখন বাইকে করে এসে দুষ্কৃতীরা তাঁর গলা থেকে চার ভরি সোনার চেন টেনে নিয়ে পালায়। প্রশ্ন উঠছে, একটি দূতাবাসের সামনেও কোনও নিরপত্তা নেই? সুধা বলেছেন, দেশের রাজধানীর যে এলাকায় প্রধানমন্ত্রী থাকেন, সংসদ সদস্য, মন্ত্রীদের আবসস্থল, সেখানে এই ঘটনা ঘটে গেলে সহজেই অনুমান করা যায় যে, দিল্লি পুলিশের কী হাল!