


কথাতেই আছে ‘কেশই বেশ’। তাই চুল নিয়ে চুলচেরা এক্সপেরিমেন্ট চলতেই থাকে। স্মুদনিং, স্ট্রেটনিং, ন্যানোপ্লাস্টিয়া করিয়ে চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধির চেষ্টা করা হয়। বিভিন্ন রাসায়নিক প্রয়োগের ফলে চুল ঝরতে থাকে। জট পড়েও চুলের ক্ষতি হয়। এই সমস্যার সমাধান প্রয়োজন। নাহলে অচিরেই মাথা ফাঁকা হওয়ার জোগাড়! কী কী করবেন?
চুলের জট পড়া আটকাতে প্রথমেই চুল পরিষ্কার রাখুন। এক্ষেত্রে স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখতে হবে। দু’দিন অন্তর শ্যাম্পু করুন।
শ্যাম্পুর পর ভিজে চুলে অবশ্যই কন্ডিশনার অ্যাপ্লাই করতে হবে। কন্ডিশনার কখনওই স্ক্যাল্পে লাগানো যাবে না। তা অ্যাপ্লাই করতে হবে চুলে এবং ১০ মিনিট রাখার পর অবশ্যই ভালো ভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
এরপর চুল অর্ধেক শুকনো অবস্থাতেই সেরাম লাগিয়ে নিলে খুব ভালো উপকার পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে চুলে জট পড়ার সম্ভাবনা থাকবে না।
ভেজা চুল কখনো আঁচড়ানো যাবে না। চুল শুকনোর পর মোটা দাঁড়ার চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিতে হবে। চুল আঁচড়ানোর ক্ষেত্রেও নীচের দিক ধীরে ধীরে জট ছাড়িয়ে তারপর পুরো চুল আঁচড়াতে হবে।
ভেজা চুলে ধীরে ধীরে হাতের আঙুলের সাহায্যে জট ছাড়িয়ে নিলেও চুল পড়ার সম্ভাবনা অনেক কম।
চুল যদি রুক্ষ নিষ্প্রাণ হয় তাহলে অবশ্যই জট পড়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়। সেক্ষেত্রে চুলের স্বাস্থ্যের দিকেও নজর রাখতে হবে। নিয়মিত অয়েল মাসাজ জরুরি। তবে অত্যধিক খুশকির সমস্যা থাকলে অয়েল মাসাজ এড়িয়ে চলাই ভালো।
ঘরোয়া হেয়ার প্যাকও ব্যবহার করা যেতে পারে। জটহীন, উজ্জ্বল চুলের জন্য অ্যালোভেরা এবং ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে চুলে লাগানো যেতে পারে।