


বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত বাংলা ছবি ‘ডিপ সিক্স’ সদ্য মুক্তি পেয়েছে কলকাতায়। মধুজা মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবির মুখ্য চরিত্রে তিলোত্তমা সোম। আড্ডায় শেয়ার করলেন নানা কথা।
• ‘ডিপ সিক্স’ ছবির সঙ্গে যুক্ত হলেন কীভাবে?
•• ইরফান খানের সঙ্গে ‘কিস্সা’ নামের একটি সিনেমা করেছিলাম। সেই ছবির পরিচালক ছিলেন অনুপ সিং, আর সহ লেখিকা ছিলেন মধুজা। সেই সময় থেকেই মধুজার সঙ্গে আমার খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। পরে উনি যখন প্রথম ছবি বানানোর কাজ শুরু করেন, তখন আমাদের আবার যোগাযোগ হয়।
• কলকাতার সিঙ্গল স্ক্রিনে সিনেমা দেখার স্মৃতি মনে পড়ে?
•• অনেক স্মৃতি রয়েছে। গরমের ছুটিতে বাবা-মায়ের সঙ্গে কলকাতায় আসতাম। আমার জন্ম কলকাতাতেই। বাবা এয়ারফোর্সে ছিলেন। তাই প্রায় চার বছর পরপর আমাদের এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় চলে যেতে হত। সত্যি বলতে, কলকাতায় মাল্টিপ্লেক্সে সিনেমা দেখার স্মৃতি আমার খুব একটা নেই। বসুশ্রী, প্রিয়া হলে সিনেমা দেখতাম। ‘ডিপ সিক্স’ও বসুশ্রীতে মুক্তি পেয়েছে। এটা ভেবেই আরো ভালো লাগছে।
• প্রথমবার নিজেকে বড়োপর্দায় দেখার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
•• ‘মনসুন ওয়েডিং’ আমার প্রথম ছবি। ভেনিসে গিয়ে বড়োপর্দায় প্রথমবার ছবিটি দেখার অনুভূতি ছিল দারুণ। প্রথমবার বিমানে চড়া, প্রথমবার বিদেশে যাওয়া, আর প্রথম নিজেকে পর্দায় দেখা... সবমিলিয়ে আলাদা অনুভূতি।
• ‘ডিপ সিক্স’ ছবিতে কাজ করতে গিয়ে কলকাতার সঙ্গে আপনার সম্পর্কটা কি নতুন করে আবিষ্কার করলেন?
•• অবশ্যই। কলকাতার সঙ্গে আমার সম্পর্কটা খুব জটিল, আবার খুব আবেগের। আমার ছোটোবেলার অনেক স্মৃতি দাদু-দিদা ও আম্মাকে ঘিরে। মধুজার ছবির হাত ধরে পুরোনো কলকাতার সঙ্গে আমার নতুন করে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
• ইন্ডাস্ট্রিতে অভিনেত্রীদের হামেশাই ‘জাজ’ করা হয়। কখনো কি আপনার এরকম অভিজ্ঞতা হয়েছে?
•• সরাসরি আমাকে কেউ কিছু বলেনি। তবে অনেক বছর ধরে কাজ পাইনি। তাই মনে হয় আমাকে নিয়ে কিছু না কিছু ‘জাজমেন্ট’ ছিলই। তবে আমাকে একজন কাস্টিং ডিরেক্টর বলেছিলেন, আমার নাকটা একটু বাঁকা, দাঁত এবড়োখেবড়ো। আমাকে অসম্মান করার জন্য কথাগুলো বলেননি। ওঁর বক্তব্য ছিল, নায়িকা হতে গেলে আমাকে সৌন্দর্য বাড়াতে হবে। আমি ওঁকে স্পষ্ট বলেছিলাম, নায়িকা হওয়ার কোনো চাপ নেই আমার, আমি সবসময়ই অভিনেত্রী হতে চাই।
দেবারতি ভট্টাচার্য • মুম্বই