


সংবাদদাতা, খড়্গপুর: নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানের আটদিন পরেও 'নিখোঁজ' খড়্গপুরের অবসরপ্রাপ্ত রেলকর্মী স্বপনকুমার সিনহা (৬২)। প্রশাসন এবং ভ্রমণ সংস্থার তরফে তাঁর সুস্থভাবে বাড়ি ফেরার কোন আশা দেখানো হয়নি। বরং 'কঠিন সত্য' শিকার করে নেওয়ার ইঙ্গিতই মিলেছিল। বৃহস্পতিবার তাই স্বপনবাবুর পরিবারের তরফে ডিএনএ-র নমুনা দেওয়া হল খড়্গপুর মহকুমা হাসপাতালে। স্বপনবাবুর ছেলে, পেশায় শিক্ষক অর্ণব সিনহা এদিন ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে। এদিন সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, 'স্বপনবাবুর ছেলে নমুনা দিয়েছেন। আমরা তা কলকাতার সিএফএসএলে (সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে) পাঠিয়ে দিয়েছি।'
গত ২১ আগস্ট কলকাতার 'চলো যাই' ভ্রমণ ক্লাবের সঙ্গে কৈলাস-মানস সরোবরের উদ্দেশ্যে পাড়ি দিয়েছিলেন খড়্গপুর শহরের হিজলি সোসাইটির বাসিন্দা স্বপনবাবু। ২২ তারিখ নেপালের কাঠমান্ডুতে পৌঁছেছিলেন তাঁরা। গত মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে শেষবার স্ত্রীর সোনালী সিনহার সঙ্গে কথা হয়েছিল স্বপনবাবুর। বিপর্যয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তখনই। বুধবার ভয়াবহ হড়পা বান আসে নেপালের রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলায়। ওইদিন সকাল থেকেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন স্বপনবাবু। শেষমেশ চরম-সত্য শিকার করে নিয়ে তাঁর পরিবারের তরফে ডিএনএ পরীক্ষার উপরই ভরসা রাখা হল।