


ইসলামাবাদ, ২৫ মার্চ: আমেরিকার প্রতিনিধিদের সঙ্গে কোনও সরাসরি আলোচনা হবে না। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তানে পৌঁছানোর পর এমনই বার্তা তেহেরানের। ইরানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনও সরাসরি বৈঠকে বসছে না তেহরান। বরং পাকিস্তানকে মাধ্যম করে নিজেদের বক্তব্য, উদ্বেগ এবং দাবিদাওয়া ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছে দেবে ইরান। তেহরানের তরফে চলমান সংঘাতকে 'আমেরিকার চাপিয়ে দেওয়া আগ্রাসন' বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, এই সফরের মূল উদ্দেশ্য আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখা এবং উত্তেজনা কমানোর পথ খোঁজা।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েন কাটিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার লক্ষ্যেই পাকিস্তান সফরে গিয়েছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। শুক্রবার তিনি একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল নিয়ে ইসলামাবাদে পৌঁছান। এই সফরকে ঘিরে কূটনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
সূত্রের খবর, সফরকালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করবেন আরাঘচি। মূল লক্ষ্য, ওয়াশিংটনের সঙ্গে চলা অচলাবস্থা দূর করা এবং চলমান উত্তেজনা প্রশমনের পথ খোঁজা। এই প্রেক্ষাপটে ইসলামাবাদ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে জমে থাকা দূরত্ব কমাতে পাকিস্তান ‘সেতু’ হিসেবে কাজ করছে বলেই কূটনৈতিক সূত্রের ইঙ্গিত।
ইরানি প্রতিনিধিদলের আগমনের খবর নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশক দার। তিনি সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ একটি ছবি পোস্ট করেছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে ইসলামাবাদে পৌঁছনো ইরানি প্রতিনিধিদের স্বাগত জানাচ্ছেন সেনাপ্রধান আসিম মুনির। তাঁর পাশে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী মহসিন রেজা নকভিও।