


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: অশোকনগরে দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নয়া তথ্য পেল পুলিস। মৃত শেখ নুর আলম ২ আগস্ট নন্দীগ্রাম থেকে কলকাতাগামী বাসে উঠেছিলেন। কলকাতায় ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন তিনি। ৪ আগস্ট সকালে অশোকনগরে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। খুনের আগে মাঝের দু’দিন তিনি কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন বা কার সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছিল তা ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। কলকাতায় সেই ভাইয়ের বাড়ি সংলগ্ন সিসি ক্যামেরার ফুটেজও খতিয়ে দেখছে পুলিস।
শেখ নুর ইসলামের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের সামসাবাদ পঞ্চায়েতের কাঞ্চননগর গ্রামে। তিনি মানসিক সমস্যায় ছিলেন। তাঁর স্ত্রী ছেড়ে চলে গিয়েছেন। নুরের এক ভাই কলকাতায় কাজ করেন। পরিবার ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ২ আগস্ট কলকাতায় আসার জন্য তিনি নন্দীগ্রাম থেকে বাসে উঠেছিলেন। সেইদিনই তিনি কলকাতায় পৌঁছন। কিন্তু ৪ আগস্ট সকালে অশোকনগরের বুজরুকদিঘা মোড়ে গলার নলি কাটা অবস্থায় তাঁর দেহ উদ্ধার করে পুলিস। এক্ষেত্রে তাঁর ভাইয়ের ভূমিকা আতস কাচের তলায় রেখেছে পুলিস। কলকাতা থেকেই খুন করার পর নুর আলমের দেহ অশোকনগরে আনা হয়েছিল, নাকি অশোকনগরের কোথাও খুন করে দেহ ফেলে দেওয়া হয়েছে, তাও তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। পাশাপাশি অশোকনগর পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কতজন এসেছিল, তাও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। খুনের পিছনে সম্পত্তিগত কোনও বিবাদ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এনিয়ে বারাসত পুলিস জেলার সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খড়িয়া বলেন, নন্দীগ্রাম থেকে কলকাতায় তিনি তাঁর এক ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। তাই ২-৩ আগস্ট তিনি কি করেছিলেন, কোথায় ছিলেন বা কার কার সঙ্গে দেখা করেন, সেটাই তদন্ত করে দেখছে পুলিস। তবে নুর আলম ফোন ব্যবহার না করায় সমস্যা হচ্ছে। আশা করি খুনের মোটিভ দ্রুত পরিষ্কার হবে।