


সাউথ সিটি মল-এ ‘নতুনের সূত্রে’ অনুষ্ঠান
পয়লা বৈশাখকে স্বাগত জানাতে ‘নতুনের সূত্রে’ অনুষ্ঠানে মেতে উঠেছিল সাউথ সিটি মল। মলের অন্দরসজ্জায় ছিল বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। কুলো, মোড়া, কড়ি, হাতপাখা ইত্যাদি দিয়ে সাজানো হয়েছিল গোটা চত্বর। সাউথ সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে এই উপলক্ষ্যে একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। তাতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রছাত্রীরা নাচ, গান ও নাটকে অংশগ্রহণ করেছিল। বিহু, বৈশাখী ইত্যাদি নাচের মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়। সাউথ সিটির এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর অমিত কুমার এই আনুষ্ঠানিক উদ্যাপন বিষয়ে বলেন, পয়লা বৈশাখ বাঙালির কাছে একটা আবেগ। আর এই আবেগ চিরন্তন। বাঙালি নিজের নাড়ির টানে এই দিনটি উদ্যাপন করে। খাবার, সাজপোশাক, গৃহসজ্জা সবেতেই বাঙালিয়ানার ছাপ পাওয়া যায়। এবছর সাউথ সিটি মল সেই ধরনেরই একটা পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করেছে ক্রেতাদের জন্য।
বেঙ্গল হোম ইন্ডাস্ট্রিজ-এর সমাহার
বেঙ্গল হোম ইন্ডাস্ট্রিজ খুবই প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। গ্রামবাংলার শিল্পীদের কাজ শহুরে মানুষের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস তাদের বরাবরের। সেই অনুযায়ী এবছরও একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল পয়লা বৈশাখের প্রাক্কালে। প্রদর্শনীতে শাড়ি, পোশাক, মোড়া, মাচিয়া, কস্টিউম জুয়েলারির নানারকম, ঝিনুকের তৈরি শো পিস, জ্যাম জেলি, আচার সহ বিভিন্ন জিনিস ছিল। সংগঠনের তরফে জানানো হয় যে, গ্রামবাংলায় বিভিন্ন ধরনের শিল্প খুবই যত্ন সহকারে লালিত হয়ে আসছে যুগ যুগ ধরে। কিন্তু সবসময় তার সঠিক কদর আমরা করতে পারি না। তার মূল কারণ প্রচারের অভাব। সেই প্রচারের কাজেই এই সংগঠন ব্রতী। প্রতি বছরই কোনো একটা বা একাধিক বিশেষ দিন বেছে নেওয়া হয় গ্রামীণ শিল্পীদের শিল্পগুলো নিয়ে প্রদর্শনী করার জন্য। এখানে যে শুধুই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয় তাই নয়, একটা কর্মশালারও আয়োজন করা হয়। তাতে গ্রামবাংলার শিল্পীরা নিজেদের শিল্পকর্ম হাতে তৈরি করে ক্রেতাদের দেখানোর সুযোগ পান। এবছর এই প্রদর্শনী ও কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে জার্মানির কনস্যুলেট জেনারেলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
ছবি, ভাস্কর্যের প্রদর্শনী
সম্প্রতি বিভিন্ন শিল্পীদের প্রদর্শনীতে সেজে উঠেছিল গড়িয়ার স্টুডিয়ো ফ্রি উইংস। শুধু জলরং নয় অ্যাক্রেলিকের ছবি সহ বিভিন্ন মাধ্যমের তৈরি ভাস্কর্যগুলিও ছিল খুবই মনোগ্রাহী। সঙ্গের ছবিটিতে শিল্পী প্রদীপ খাড়া গ্রাম্য প্রকৃতিকে জলরঙে ফুটিয়ে তুলেছেন। গত ৩-১০ এপ্রিল পর্যন্ত প্রদর্শনীটি চলে। শিল্পমোদীদের মধ্যে যথেষ্ট সাড়া ফেলেছিল এই প্রদর্শনী। সকলের কাজই প্রশংসা পেয়েছে নানা মহলে।
স্টাইলিশ ব্যাকপ্যাক
আপনি কি আঁকতে ভালোবাসেন? নাকি সেলাইয়ের শখ আছে? এর যে কোনও একটার সাহায্যেই আপনি হয়ে উঠতে পারেন রীতিমতো রোজগেরে। আজ যেটা বানাবেন সেটা একেবারেই ট্রেন্ডি জিনিস। নব্য যুগের তরুণ-তুর্কিদের কাছে হিট আইটেম, স্টইিলিশ ব্যাকপ্যাক। ঘরে বসে তা ডিজাইন করে অনেকেই হয়ে উঠছেন রোজগেরে। বিক্রি করতে পারেন অনলাইন।
ক্রুশের কাজ করা ব্যাকপ্যাক
ক্রুশের কাজ এখন খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই কাজের হেয়ার ব্যান্ড থেকে ব্যাকপ্যাক সবই টিনএজারদের কাছে জনপ্রিয়। মাল্টিকালার ক্রোশে থ্রেড ব্যবহার করে তৈরি করে ফেলতে পারেন সুদৃশ্য ব্যাকপ্যাক। এই ধরনের ব্যাকপ্যাকে অনেকে লাইনিং দিয়ে দেন। তবে একটু ট্রেন্ডি লুকের জন্য লাইনিং ছাড়াও বানাতে পারেন এই ব্যাগ। একটু উজ্জ্বল রঙের ক্রোশে সুতো ব্যবহার করবেন এই ক্ষেত্রে। হলুদ, লাল, নীল, কমলা, সবুজ রঙের সুতো ব্যবহার করতে পারেন। আবার মাল্টিকারাল সুতো দিয়েও এই ধরনের ব্যাগ তৈরি করতে পারেন। ব্যাকপ্যাকের খোলটা এক রঙের করে তার ফ্ল্যাপটা কনট্রাস্ট কোনো রঙের সুতো দিয়েও বুনতে পারেন। এই ধরনের ব্যাকপ্যাকে চেন লাগানো যায়। ম্যাগনেটিক বোতাম দিয়ে আটকানোর ব্যবস্থা করা যায় অথবা দড়ি দিয়ে বটুয়ার মতো করে মুখটা বন্ধ করে দেওয়া যায়। যেমন ধরন আপনার পছন্দ সেই মতোই ব্যাগের শেপ দিন।
ব্যাকপ্যাকে হ্যান্ড পেইন্ট
যে কোনও মাপের ক্যানভাস কাপড়ের ব্যাকপ্যাক কিনে নিন। একরঙা দেখে কিনবেন নাহলে আঁকার সুযোগ পাবেন না। এবার তার উপর অ্যাক্রিলিকের পেইন্ট দিয়ে নিজের পছন্দমতো ফ্লোরাল, অ্যাবস্ট্র্যাক্ট বা অন্য যে কোনো নকশা এঁকে নিন। প্রথমে ব্যাকপ্যাকের উপর ডিজাইনটা এঁকে নিতে হবে। ধরুন কোনো কার্টুনের চরিত্র আঁকলেন অথবা ফুল পাতার নকশা করলেন বা কোনো জিওমেট্রিক ডিজাইন আঁকলেন। এবার এই ডিজাইনের উপর রং তুলি দিয়ে আঁকুন। উজ্জ্বল রং বাছবেন তাহলে তা দেখতে সুন্দর লাগবে। এরপর এই রং শুকিয়ে নিন। ব্যাস, ডিজাইনার ব্যাকপ্যাক রেডি। এখন আবার আঁকার সঙ্গে লেখারও কদর প্রচণ্ড। তেমনই কোনো উল্লেখযোগ্য গদ্যের লাইন বা কবিতার লাইনও লিখে তার উপর রং দিয়ে ভরিয়ে তুলতে পারেন। হ্যান্ড পেইন্টের ক্ষেত্রে প্রথমেই রং ব্যবহার না করে একটা আউটলাইন করে নিন। সেই মতোই রং ব্যবহার করুন।