


নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না হাড়োয়ার বিধায়কের। এর আগে দেগঙ্গা ও শাসন এলাকায় দুর্নীতির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে পড়েছে পোস্টার। ফের পোস্টার রাজনীতির পুনরাবৃত্তি ঘটল দেগঙ্গার চাঁপাতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায়। দেগঙ্গা ব্লক ২ ও বারাসত ২ ব্লকের সভাপতির পদ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলার অভিযোগ করে হাড়োয়ার তৃণমূল বিধায়ক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে পোস্টার ও লিফলেটে ছয়লাপ হল এলাকা। মঙ্গলবার ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে চর্চা। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট সাংগঠনিক জেলায় এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের কমিটি গঠন হয়নি। এই জেলার মধ্যে রয়েছে হাড়োয়া বিধানসভা। দেগঙ্গা ও বারাসত ২ নম্বর ব্লকের কয়েকটি পঞ্চায়েত রয়েছে হাড়োয়া বিধানসভার মধ্যে। এই দুই ব্লকে এখনও তৃণমূলের কেউ সভাপতি নেই। দৌড়ে রয়েছেন অনেকে। বারাসত এবং দেগঙ্গা ব্লক ২-এর সভাপতি না হওয়ায় তৃণমূলের অন্দরে দ্বন্দ্বও সামনে আসছে। এই আবহে ব্লক সভাপতির পদ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলার অভিযোগ তুলে পোস্টার পড়ল হাড়োয়ার বিধায়ক রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, বিধায়কের নামে লিফলেটও পাওয়া গিয়েছে। দেগঙ্গার চাঁপাতলা পঞ্চায়েতের চাঁপাতলা, গোঁসাইপুর, কেয়াডাঙা, পণ্ডিতপোল এলাকায় এই পোস্টার ও লিফলেট দেখা যায়। তাতে নীচে লেখা তৃণমূল কর্মী সমর্থক। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় শুরু হয়েছে চর্চা। এই ঘটনার পিছনে কাদের হাত রয়েছে জানা যায়নি। তবে, ব্লক সভাপতি নিয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট না হওয়ায় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ আছে। বিভিন্ন চায়ের দোকান থেকে আড্ডায় এই ধরনের আলোচনা শোনা যায়। এই প্রসঙ্গে হাড়োয়ার বিধায়ক রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি প্রশাসন আর দল দেখছে। এছাড়া আমি কিছু বলতে পারব না। এনিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ শানিয়ে বিজেপি নেতা তাপস মিত্র বলেন, হাড়োয়ার বিধায়কের কীর্তি সবার জানা। ওঁর ছায়াসঙ্গীদের কর্মকাণ্ড দেখে তৃণমূলের নেতারা ক্ষিপ্ত। নিজস্ব চিত্র