


নয়াদিল্লি: আজ, শনিবার রাজধানীতে বসছে দু’দিনের ব্রিকস সম্মেলন। শুক্রবারই একাধিক রাষ্ট্রপ্রধান দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছেন। সেই তালিকায় অন্যতম ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেন তিনি। প্রেসিডেন্ট হিসাবে পেজেশকিয়ানের এটাই প্রথম ভারত সফর। আর এই সফর এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন পশ্চিম এশিয়ায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সৌজন্যে আমেরিকার ‘অপারেশন ইকনমিক আউটকাস্ট’। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুক্রবার ব্রিকস বিজনেস ফোরামের নেতাদের অধিবেশনে নাবিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরেন। নিজের বক্তব্যে নিরাপদ সমুদ্রপথের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি। মোদি বলেছেন, সামুদ্রিক পথ নিরাপদ থাকলে, সরবরাহ ব্যবস্থা সচল থাকলে এবং নাবিকরা সুরক্ষিত থাকলেই বিশ্ব বাণিজ্যের অগ্রগতি সম্ভব। তাই ভারত অবাধ নৌ-চলাচল ও নাবিকদের নিরাপত্তার দৃঢ় সমর্থক।
দিল্লিতে শুক্রবার ব্রিকস বিজনেস ফোরামে পেজেশকিয়ান বলেন, ব্রিকসকে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে কোনো দেশ আর্থিক উপকরণের ওপর একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে অন্য দেশের বৈধ বাণিজ্য ব্যাহত করতে না পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে ব্রিকসের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাঁর দাবি, ডলারের ওপর দেশগুলির নির্ভরতা কমাতে এবং আমেরিকার আধিপত্যের বিরুদ্ধে দাঁড়াতেই ব্রিকস ব্যাংক গড়ে তোলা হয়েছিল। এদিকে, বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সমাজমাধ্যমে ইরানের প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ভারত ও ইরানের মধ্যে সভ্যতাগত সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের মানুষের মধ্যে শক্তিশালী সাংস্কৃতিক ও পারস্পরিক যোগাযোগের সম্পর্কও রয়েছে।