


মস্কো, ২৮ ডিসেম্বর: যুদ্ধের মাধ্যমেই ইউক্রেনের ভবিষ্যত নির্ধারিত হবে! রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মন্তব্যে এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। শনিবার(স্থানীয় সময়), মস্কোতে পুতিন বলেন, কিয়েভ যদি শান্তিপূর্ণ পথে সমস্যার সমাধান করতে না চায়, তবে রাশিয়া তার লক্ষ্যপূরণ করতে সামরিক শক্তির সম্পূর্ণ ব্যবহার করবে। ইউক্রেন শান্তি স্থাপনে আগ্রহী নয় বলেই অভিযোগ রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের। তাই মস্কো এবার সামরিক শক্তি দিয়ে ও বলপ্রয়োগের মাধ্যমে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের ভবিষ্যত ঠিক করতে চাইছে। অপরদিকে রবিবার ফ্লোরিডায় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করবেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদোমির জেলেনস্কি। সেখানেই উঠবে রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি প্রসঙ্গ। কিন্তু তার আগেই কিয়েভকে সতর্ক করে দিয়েছেন খোদ পুতিন।
তিনি আরও বলেছেন, আমরা আজও দেখছি, কিয়েভের নেতারা যুদ্ধ থামাতে চাইছে না। শান্তি চুক্তি করছে না। একবছর আগে এই কথাগুলিই বলেছিলাম। পুতিনের এই বক্তব্যের পরেই ইউক্রেনজুড়ে হামলা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে মস্কো। প্রায় ৫০০টি ড্রোন ও ৪০টি ক্ষেপণাস্ত্র রাতারাতি ছোড়া হয়েছে কিয়েভের মাটিতে। যার ফলে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১ জনের। জখম ২৭। যদিও পুতিনের সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জেলেনস্কি। তিনি জানিয়েছেন, রাশিয়াই যুদ্ধ থামাতে চাইছে না। তাঁদের কোনও সদিচ্ছা নেই। তাই ১০ ঘণ্টা ধরে ওঁরা হামলা চালিয়েছে। ইউক্রেন যখন শান্তির চেষ্টা চালাচ্ছে, তখন রাশিয়া ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে তার উত্তর দিচ্ছে।