


সংবাদদাতা, বারুইপুর: রায়দিঘি ব্রিজ থেকে দমকল খেয়াঘাট পর্যন্ত রাস্তাটি ১৮ কিলোমিটার লম্বা। এখন সে রাস্তার হাল সম্পূর্ণ বেহাল। পিচ উঠে গিয়েছে। ভরেছে খানা খন্দে। প্রায়শই ঘটছে দুর্ঘটনা। মানুষের অভিযোগ, প্রশাসনের সবকটি স্তরে বিষয়টি জানানো হয়েছে। কিন্তু রাস্তার সংস্কার কিছুতেই হয়নি।
মেরামতের দাবি তুলে বৃহস্পতিবার সকালে রাস্তা অবরোধ করে সিপিএম। কাঠের গুঁড়ি ফেলে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়। রায়দিঘি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। মেরামত নিয়ে আলোচনার আশ্বাস দেওয়ার পর সিপিএম অবরোধ তুলে নেয়। রায়দিঘি ব্রিজ থেকে রাস্তাটি চলাচলের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিন কয়েকশো অটো, টোটো, ভ্যান চলাচল করে। রায়দিঘি গ্রামীণ হাসপাতালে যেতে হলে এই রাস্তাটিই প্রধান ভরসা। এছাড়া কয়েকটি স্কুলের পড়ুয়া যাতায়াত করে। বর্তমানে ব্রিজ থেকে খেয়াঘাটের দিকে এগলে রাস্তার কদাকার অবস্থা চোখে পড়ে। কোনো কোনো জায়গায় বড়ো বড়ো গর্ত। সেগুলি কার্যত মৃত্যুফাঁদ। পিচের দেখা মেলা ভার। বাসিন্দারা বলেন, সন্ধ্যার পর যাতায়াত দুষ্কর। প্রচুর গর্ত। ভয়ানক বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে রাস্তাটি। সিপিএমের আব্দুল মীর বলেন, ‘ভোট ঘোষণা হয়ে গেলে রাস্তা মেরামত হবে না। প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটছে। স্কুল পড়ুয়ারা পড়ে গিয়ে চোট পাচ্ছে। দ্রুত মেরামত না হলে বড়ো আন্দোলন হবে।’ রায়দিঘির বিধায়ক ডঃ অলোক জলদাতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনার অধীন এই রাস্তা। এর অবস্থার বিষয়টি জানা আছে। খুব দ্রুত সংস্কার হবে।’