


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মরশুম শুরুতে বদলেছেন চুলের ধরন। নিউ লুকে সাহাল আবদুল সামাদ আরও ঝকঝকে। শনিবারের ডার্বিতেও কেরালাইটের আলোয় ঝলমলে মোহন বাগান। বড়ো ম্যাচে প্রথম গোল সাহালের। জাল কাঁপিয়ে ছুটলেন গ্যালারির দিকে। হয়তো বোঝাতে চাইলেন ‘ইয়ে তো সির্ফ ট্রেলার থা। পিকচার আভি বাকি হ্যায়।’ ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে সাহালের মন্তব্য, ‘ডার্বি জেতার আনন্দই আলাদা।’
কেরালাইট সাহাল দুবাইয়ে কাটিয়েছেন দীর্ঘদিন। কিন্তু ফুটবল সার্কিটে তাঁকে নিয়ে আপশোস কম নয়। সাহালের প্রতিভা প্রচুর। কিন্তু ধারাবাহিকতার অভাব সুস্পষ্ট। এদিনের পর তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়তে বাধ্য। খেলার পর তিনি বললেন, ‘ডার্বির গোল স্ত্রীকে উৎসর্গ করেছি। ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।’ তবে বড়ো ম্যাচের অন্যতম নায়ককে নিয়ে এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হয়। শিক্ষা দুর্নীতির প্রতিবাদে সোশ্যাল সাইটে বিবৃতি দিয়েছিলেন তিনি। দেশজুড়ে আন্দোলনের পর এদিন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। এই প্রসঙ্গে সাহালকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথেই তা থামিয়ে দেওয়া হয়। সাহালের পাশাপাশি প্রশংসা করতে হবে বিশালেরও। এদিন তেকাঠির নীচে নির্ভরতার প্রতীক তিনি। শেষ মুহূর্তে রশিদের শট শরীর ছুড়ে বাঁচালেন। এরপরেও জাতীয় দলে বিশালের অটোমেটিক চয়েস না হওয়া সত্যিই রহস্য।