


বেঙ্গালুরু: দুরন্ত ফর্মে রয়েছেন বিরাট কোহলি। শুক্রবার ঝকঝকে ৮১ রানের ম্যাচ উইনিং ইনিংস উপহার দিলেন তিনি। পাশাপাশি ব্যাটে রীতিমতো ধারাবাহিক দেবদূত পাদ্দিকাল। তিনি করলেন ৫৫ রান। আর এই দুই ব্যাটারের দাপটে ঘরের মাঠে গুজরাত টাইটান্সকে ৫ উইকেটে হারাল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। জয় হল ৭ বল বাকি থাকতে। ২০০ রানের গণ্ডি পার করেও এখন নিশ্চিন্ত থাকতে পারছে না কোনো দল। এদিনও তার বড় প্রমাণ হয়ে দাঁড়াল গুজরাত। প্রথমে ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে তারা করে ২০৫ রান। দুরন্ত শতরান হাঁকালেন সাই সুদর্শন। কিন্তু তাঁর সেঞ্চুরি ম্লান হয়ে গেল ভিকের ব্যাটের সামনে। জয়ের সৌজন্যে ৭ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে বেঙ্গালুরু।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ক্যাচ তুলেছিলেন বিরাট কোহলি। কিন্তু মিড উইকেটে তা ধরতে পারেননি ওয়াশিংটন সুন্দর। হতাশা চাপা থাকেনি বোলার মহম্মদ সিরাজের। এদিন ফিল সল্ট না থাকায় বেথেল ওপেন করতে নামেন। সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। ১৪ রান করেই আউট হন বেথেল। এরপর পাদ্দিকালকে সঙ্গে নিয়ে সিরাজ, রাবাডাদের ব্যাট হাতে শাসন করলেন ভিকে। তাঁর ৮১ রান সাজানো থাকল ৮টি বাউন্ডারি ও ৪টি ওভার বাউন্ডারি দিয়ে। ভিকের মাথায় উঠল অরেঞ্জ ক্যাপ। হোল্ডারের বলে যখন তিনি আউট হলেন তখন স্কোর বোর্ডে ১৭১ রান। তার আগে পাদ্দিকালকে ফিরিয়েছিলেন রশিদ খান। এরপর রজত পাতিদার (৮) ও জিতেশ শর্মা (১০) ব্যর্থ হলেও জিততে অসুবিধা হয়নি বেঙ্গালুরুর।
তবে শুরুটা ভালই করেছিল গুজরাত। দুই ওপেনার সাই সুদর্শন ও শুভমান গিল ছন্দে ছিলেন। প্রথম ৬ ওভারে গুজরাত তোলে ৫৭ রান। সুদর্শন ছিলেন অনেক বেশি চড়া মেজাজে। তবে সেট হয়েও গিল ৩২ রানে আউট হন। জস বাটলার ব্যর্থ। ছাব্বিশের আইপিএলে তাঁর ব্যাটে ধারাবাহিকতার অভাব স্পষ্ট। তারই মধ্যে ৫৭ বলে শতরান হাঁকান সুদর্শন। অবশ্য পরের বলেই আউট হন তিনি। শেষদিকে ওয়াশিংটন সুন্দর (অপরাজিত ১৯) ও জেসন হোল্ডার (অপরাজিত ২৩) চালিয়ে খেলে দলের স্কোর দুশোর উপর নিয়ে যান।