


নিজস্ব প্রতিনিধি, শক্তিগড়: ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভা। বিভিন্ন জেলার কর্মী, সমর্থকরা জাতীয় সড়ক ধরে যাওয়ার সময় শক্তিগড়ে টিফিন সারবেন। কলকাতায় বড়ো কোনো কর্মসূচি হলে এমনটা হয়ে থাকে। কিন্তু আশাভঙ্গ হল ব্যবসায়ীদের। সেই ভিড় হল না। অন্যান্য দিনের মতো ল্যাংচা, সীতাভোগ বা মিহিদানা বিক্রি হল। তাতে ব্যবসায়ীদের মন ভরেনি। তাঁরা বলছেন, প্রত্যাশা পূরণ হল না। সেভাবে লোক ভরতি বাসও যেতে দেখা গেল না।
বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, তারা ট্রেনের উপর ভরসা করলেও প্রতিটি মণ্ডলের জন্য বাসেরও ব্যবস্থা করেছিল। যেসব এলাকায় স্টেশন রয়েছে, সেখানকার কর্মীদের ট্রেনে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। আর যেসব এলাকা থেকে স্টেশন দূরে রয়েছে, যেমন পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট, কেতুগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের বাসিন্দাদের জন্য বাসের ব্যবস্থা করা হয়। অন্যান্য জেলাগুলিতেও একই রকম বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। কিন্তু, বাস ভরতি করার মতো কর্মী বা সমর্থক বিজেপি পায়নি।
শক্তিগড়ের ব্যবসায়ী সন্তু কোনার বলেন, তেমন বিক্রি হল না। যাওয়ার সময় লোক ছিল না। ফেরার সময় কিছুটা বিক্রি হয়েছে। আর এক ব্যবসায়ী শেখ আলি বলেন, কলকাতায় কোনো কর্মসূচি ছিল বলে বোঝা গেল না। কোনো দোকানেই ভিড় হয়নি। কয়েক দিন ধরেই কমার্শিয়াল গ্যাসের বেশ কিছুদিন ধরেই সংকট চলছে। তারপরেও অনেকেই বাড়তি লাভের আশায় অতিরিক্ত টাকা খরচ করে সিলিন্ডার জোগাড় করেছিল। কিন্তু, লাভ কিছুই হল না।
বিজেপি নেতা রাজু পাত্র বলেন, লোক না গেলে ব্রিগেডের সভায় এত ভিড় হল কী করে। আমি নিজে বাস ভরতি লোক নিয়ে গিয়েছিলাম। বেশিরভাগ কর্মী ট্রেনে গিয়েছেন। শক্তিগড়ে দাঁড়াতেই হবে এমন মানে নেই। যাদের ইচ্ছে হয়েছে তাঁরা দাঁড়িয়েছেন।