


ব্যাংকক: বাড়ি ও স্কুলে এলোপাথাড়ি গুলি কিশোরের। থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের শহরতলির ঘটনায় অন্তত সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৩০ জন। তাঁদের মধ্যে ৯ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের তালিকায় রয়েছেন কিশোরের ঠাকুরদা-ঠাকুরমা ও পাঁচ শিক্ষক। গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে ১৪ বছরের ওই কিশোরও। থাইল্যান্ডের বিখ্যাত ডাবসিরিন স্কুলের একটি শাখায় এই ঘটনা ঘটেছে। ৯ এমএম হ্যান্ডগানটি আদতে ওই কিশোরের ঠাকুরদার। শুক্রবার সেটি নিয়েই স্কুলের একাধিক ক্লাসরুমে গুলি চালায় সে। তার আগেই বাড়িতে ঠাকুরমা ও ঠাকুরদাকে খুন করে। স্কুলে তাণ্ডব চালানোর পর আত্মঘাতী হয়। মোট ২৬টি গুলি চালিয়েছিল সে। মৃত্যুর পরও ওই বন্দুকে ৩৪টি গুলি ছিল। ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, ‘প্রথমে কিছু বুঝতে পারিনি। হঠাৎ গুলির শব্দ শুনতে পাই। তারপর সব চুপচাপ। কিছুক্ষণ পর আবার গুলি চলতে শুরু করে।’ প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, মানসিক অবসাদ থেকেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে কিশোর। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে থাই প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চারভিরাকুল জানান, আগামী দিনে আগ্নেয়াস্ত্র আইন আরও কঠোর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। নিহত সহপাঠীর জন্য কান্না। -পিটিআই