


হায়দরাবাদ: ক্রিকেটের বল খুঁজতে পোড়ো বাড়িতে ঢুকেছিল যুবক। রান্নাঘরে উঁকি দিতেই হাড়হিম ঘটনা। চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বাসনপত্র। মেঝেতে একটি কঙ্কাল। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় পুলিসে। কঙ্কাল উদ্ধার করেন আধিকারিকরা। কার দেহ রাখা ছিল ওই বাড়িতে? উত্তর খুঁজতে পুলিসকে সাহায্য করল মৃতের ফোন। সুইচড অফ হয়ে যাওয়া নোকিয়ার মোবাইলটি অন করতেই মিলল যাবতীয় উত্তর। হায়দরাবাদের পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি আমির খানের। অন্তত ১০ বছর আগে আমিরের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিস।
পুলিস সূত্রে খবর, কঙ্কালের পাশ থেকে উদ্ধার হয় কিছু পুরনো ৫০০ ও হাজার টাকার নোট। উদ্ধার হয় মোবাইল ফোনটিও। ফোনটিতে চার্জ দেওয়া হলে জানা যায়, ২০১৫ সালে বন্ধ হওয়ার আগে সেটিতে ৮৫টি মিসড কল রয়েছে। এসিপি কিষান কুমার বলেছেন, ‘বছর পঞ্চাশের আমির দীর্ঘদিন একাই ওই বাড়িতে থাকতেন। কারও সঙ্গে মিশতেন না। সম্ভবত তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। ঘটনাস্থলে কোনও ধস্তাধস্তির চিহ্ন বা রক্তের দাগ পাওয়া যায়নি। হয়তো আমিরের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে’
মৃতের আঙুলের আংটি দেখে দেহ শনাক্ত করেছেন তাঁর ভাই। তবে এতদিন নিখোঁজ থাকার পরও কেন আমিরের পরিবারের সদস্যদের কেউ তাঁর খোঁজ করতে ওই বাড়িতে যাননি তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।