


মৃত্যুঞ্জয় কর্মকার, হবিবপুর: ভোটের লড়াইয়ে নিজেদের উপস্থিতি জানান দিতে প্রস্তুত ছোট দলগুলিও। হবিবপুর বিধানসভায় বড় চার দলের পাশাপাশি প্রার্থী ঘোষণা করতে চলেছে ঝাড়খণ্ড দিশম পার্টি, কামতাপুর পিপলস পার্টি (ইউনাইটেড) এবং বহুজন মুক্তি পার্টি। এছাড়া, গাজোল ও মালদহ বিধানসভায় তাদের প্রার্থী ঘোষণা শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা বলে জানিয়েছে।
দ্রুত জেলার বিভিন্ন গ্রাম ও শহর এলাকায় সভা, মিছিল ও প্রচারের কর্মসূচির পরিকল্পনা সারা। ঝাড়খণ্ড দিশম পার্টির রাজ্য সভাপতি মোহন হাঁসদা বলেন, সাধারণ মানুষের সমস্যা তুলে ধরতে আমরা দায়বদ্ধ। সারা বছর জেলাজুড়ে একাধিক কর্মসূচি চলে সংগঠনের। মালদহে তিনটি আসনে প্রার্থী দেওয়া হবে। সেজন্য সংগঠনের প্রচার শুরু করা হয়েছে। কর্মসংস্থান, কৃষকদের স্বার্থ, স্থানীয় উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রশ্ন তুলে ধরেই এই দলগুলি ভোটের লড়াইয়ে নামবে। মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে বিধানসভায় পৌঁছনোর আশা দেখছেন সংশ্লিষ্ট দলের নেতারা। কামতাপুর পিপলস পার্টির (ইউনাইটেড) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুভাষ বর্মন বলেন, গতবার দশ হাজারের কাছাকাছি ভোট পেয়েছিলাম। ২৮ তারিখ প্রায় এক হাজার আদিবাসী দলে যোগদান করবে। ফলে সংগঠন অনেক মজবুত হবে এবং ভোট বাড়বে। বহুজন মুক্তি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য বাবুরাম মুর্মুর কথায়, মালদহে ন’টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। প্রচারের প্রস্তুতি তুঙ্গে। আগামী দিন মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে বিধানসভায় বহুজন মুক্তি পার্টির বিধায়ক যাবেন। বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক দলগুলির এই সক্রিয়তা ভোটের অঙ্কে কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে নির্দিষ্ট অঞ্চলে তাদের প্রভাব থাকায় বড় দলগুলির সমীকরণেও পরিবর্তন হতে পারে। ফলে আসন্ন নির্বাচনে লড়াই যে আরও তীব্র হতে চলেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। সব মিলিয়ে, বড় দলগুলির পাশাপাশি আঞ্চলিক শক্তির এই আগমন রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দানকে আরও কঠিন করে তুলেছে।