


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২ থেকে বেড়ে ২৪! রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোলের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধুমাত্র এই শাখাতেই সরকারি গাড়ির সংখ্যা বাড়ল ১২ গুণ! রাজ্যে যেভাবে জাল ওষুধ চক্রের বাড়বাড়ন্ত হচ্ছে, তার জন্য রাজ্যজুড়ে ধরপাকড় বাড়াতে লোকবল ও পরিকাঠামো বৃদ্ধির দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছিলেন ড্রাগ কন্ট্রোলাররা।
লোকবল ও পরিকাঠামোর অভাব থাকলে ড্রাগ কন্ট্রোলের পক্ষে জাল ও নিম্নমানের ওষুধ চক্রের মোকাবিলা করা অসম্ভব—একথা বহুদিন ধরেই সরকারের শীর্ষমহলকে বোঝানোর চেষ্টা করে যাচ্ছিল ড্রাগ কন্ট্রোল। শুধু তাই নয়, রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৭০ হাজার খুচরো-পাইকারি দোকান ও ২৪টি মেডিক্যাল কলেজের স্টোরে নজরদারি, বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতকারক ইউনিটগুলিতে মনিটরিং, সোর্স মারফৎ খবর পেয়ে আচমকা হানা, ওষুধ, ইঞ্জেকশনের নমুনা সংগ্রহ—সবেতেই গাড়ি দরকার পড়ে। অবশেষে ড্রাগ কন্ট্রোলের সেই চাহিদা পূরণ হওয়ায় অনেকটাই সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্যভবন সূত্রে খবর, রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোলের সদর দপ্তরের জন্য বরাদ্দ ছিল মাত্র দু’টি গাড়ি। সেই দু’টি থাকছে। এরপর ১৮টি জেলার জন্য ১টি করে গাড়ি পাচ্ছে ড্রাগ কন্ট্রোল। এছাড়াও রাজ্যের চার জায়গায় রয়েছে তাদের আঞ্চলিক অফিস বা রিজিওনাল ডিভিশন অফিস (আরডিও)। বাঁকুড়া, বর্ধমান, বহরমপুর এবং শিলিগুড়িতে রয়েছে এই অফিস। প্রতিটি অফিসের দায়িত্বে রয়েছেন একজন করে ডেপুটি ড্রাগ কন্ট্রোলার। এই অফিসের জন্যও একটি করে গাড়ি বরাদ্দ হয়েছে। গাড়ির সংখ্যা একলপ্তে অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় স্বস্তিতে ইনসপেক্টররাও। আগস্ট থেকেই এই গাড়ি পাওয়া যাবে বলে জানা গিয়েছে। শুধু গাড়ির সংখ্যা বেড়ে যাওয়াই নয়, মৌলালিতে আর আহমেদ ডেন্টাল কলেজের উল্টোদিকে স্বাস্থ্য পরিবহণ শাখা চত্বরে নতুন অফিস পাচ্ছে ড্রাগ কন্ট্রোল। শীঘ্রই সেটির উদ্বোধন হওয়ার কথা।