


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: প্রাথমিক আপত্তি থাকলেও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী উপাচার্য প্রার্থীর নাম মেনেই নিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। সার্চ অ্যান্ড সিলেকশন কমিটির সুপারিশ এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পছন্দকেই মান্যতা দিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ। শীর্ষ আদালত সিলমোহর দেওয়ায় আদালতে উপস্থিত রাজ্যপাল তথা আচার্যর আইনজীবী তথা দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল আর বেঙ্কটরামানি এবং আইনজীবী জয়দীপ মজুমদারও তা মেনে নেন। যদিও রাজ্যের পছন্দ থাকা রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় এবং উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য উপাচার্য প্রার্থীর নামে আপত্তি তুলেছেন আচার্য। অন্যদিকে, আচার্যর মত থাকলেও মৌলানা আব্দুল কালাম আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য উপাচার্য প্রার্থীর নামে আপত্তি রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর।
এমত আবহেই সোমবার সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের ছ’টি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী উপাচার্যর নামে একমত হয়েছে রাজ্য এবং রাজ্যপাল। সেই মতো যাদবপুর, ঝাড়গ্রামের সাধু রামচাঁদ মুর্ম, গৌরবঙ্গ, আসানসোলের কাজি নজরুল, বোলপুরের বিশ্ব বাংলা এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী উপাচার্য পদে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। যদিও কারা হবেন উপাচার্য, সেই নাম এদিন আদালতে উল্লেখ করতে বারণ করেন রাজ্যের আইনজীবী জয়দীপ গুপ্ত। এমনকী যে ১১টি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এখনও জট কাটেনি, তার সম্ভাব্য উপাচার্য প্রার্থীর নামের তালিকাও উল্লেখ না করতে অনুরোধ করা হয়। সেই মতো বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, ওই ১১টির নাম আমাদের চেম্বারে আলোচনা হয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক হবে। যদিও শিক্ষাদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা ও যাদবপুরে সম্ভাব্য উপাচার্য যথাক্রমে আশুতোষ ঘোষ ও চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। বিশ্ব বাংলা বিশ্ববিদ্যালয়ে চর্চায় রয়েছে আবু তালেবের নাম। সাধু রামচাঁদের উপাচার্য হতে পারেন চন্দ্রদীপা ঘোষ, গৌরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে আশিস ভট্টাচার্য ও কাজি নজরুলে উদয় বন্দ্যোপাধ্যায়।