


ওয়াশিংটন ও তেহরান: মার্কিন বাহিনীর নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারের অভিযানকে সোমবার তীব্র কটাক্ষ করল ইরান। একইসঙ্গে তেহরানের আশঙ্কা, পাইলকে উদ্ধারের ছলে ইরানের পরিশুদ্ধ ইউরেনিয়াম চুরির চেষ্টায় ছিল আমেরিকা। যদিও এরইমধ্যে ফের কড়া হুঁশিয়ারি এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তরফে। তাঁর হুমকি, মাত্র এক রাতের মধ্যেই গোটা ইরানকে পুরোপুরি ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার সম্ভব। এবং সেই রাতটা হয়ে পারে আগামী কালই।
হরমুজ প্রণালী মুক্ত করতে ইরানকে ৬ এপ্রিলের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকি ছিল, ওই সময়সীমার মধ্যে হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজ পরিবহণ স্বাভাবিক না হলে ইরানের বিদ্যুৎক্ষেত্রে ব্যাপক বোমাবর্ষণ হবে। যদিও সেই হুমকিকে গুরুত্ব না দিয়ে উলটে সংঘর্ষ বিরতি নিয়ে আমেরিকার ১৫ দফা শর্ত খারিজ করে দিয়েছে তেহরান। পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনকে তারা বার্তাও পাঠিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সাময়িক সংঘর্ষ বিরতি নয়, বরং স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের পক্ষপাতী তারা। এক্ষেত্রে শুধু ইরান নয়, লেবানন ও গাজাকেও সেই পরিকল্পনায় সংযুক্ত করেছে তেহরান। সেজন্য ১০ দফা পালটা শর্তও জারি করে তাদের দাবি, ফের নতুন করে যে যুদ্ধ শুরু করা হবে না, সেই নিশ্চয়তা চাই। তাতেই ‘হতাশ’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট এদিন ফের সুর চড়িয়েছেন। এক রাতের মধ্যে ইরানকে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকি দিয়েছেন তিনি। সাংবাদিক সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, মঙ্গলবার তেমনই একটা রাত হয়তো অপেক্ষা করছে ইরানের জন্য।
এদিকে, নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধারে মার্কিন বাহিনীর অভিযানকে একহাত নিয়েছেন ইরানের বিদেশ দপ্তরের মুখপাত্র ইসমাইল বাকি। তাঁর অভিযোগ, তিনি বলেন, এমনটাও হতে পারে, ইরানের পরিশুদ্ধ ইউরেনিয়াম চুরির জন্য এটি যে গোপন অভিযান ছিল। সেই সম্ভাবনা কোনোভাবেই উপেক্ষা করা উচিত নয়। এই অভিযান ঘিরে অনেক প্রশ্ন ও অনিশ্চয়তা রয়েছে।