


দুবাই: আমেরিকা-ইজরায়েলের কাছে মাথা নত না করে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। মঙ্গলবার নতুন করে নেতানিয়াহুর দেশের বিভিন্ন এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাল তেহরান। সকাল থেকেই সাইরেনের শব্দে ভরে যায় জেরুজালেমের আকাশ। বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে তেল আভিভ। রেহাই পায়নি বন্দর শহর হাইফা। জানা গিয়েছে, হাইফার বিভিন্ন তেল সংশোধনাগারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান। ইরানের সেনার দাবি, কয়েকদিন আগে তাদের জ্বালানি কেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল। তার জবাব দিতেই এই অভিযান। ইজরায়েলের পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে আক্রমণ জারি রেখেছে ইরানের বাহিনী। মঙ্গলবার সকাল থেকেই দুবাই, দোহা, বাহরিন, কুয়েতে আছড়ে পড়ে একের পর এক ড্রোন। কুয়েতের ন্যাশনাল গার্ড জানিয়েছে, ইতিমধ্যে ছ’টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।
সামরিক অভিযান চালানোর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখেছে তেহরান। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে জ্বালানি সরবরাহ করার অন্যতম রাস্তা এই জলপথ। এহেন অবস্থায় অপরিষোধিত তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। জ্বালানি সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের অন্যতম সংস্থা আরামকোর সভাপতি আমিন নাসের। তাঁর কথায়, ‘হরমুজ প্রণালীতে বর্তমান পরিস্থিতির কারণে প্রচুর পরিমাণ তেল পাঠানো যাচ্ছে না।’
তেহরানের হুঁশিয়ারিকে অবশ্য গুরুত্ব দিতে রাজি নয় তেল আভিভ। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা যা পদক্ষেপ নিয়েছি তাতে ওদের হাড় ভেঙে গিয়েছে। এতে কোনো সন্দেহ নেই।’ একইসঙ্গে তাঁর বার্তা, ‘ইরানের মাটি থেকে ওই অত্যাচারী শাসন ব্যবস্থাকে উপড়ে ফেলাই আমাদের লক্ষ্য। ’