


তেহরান: আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হানায় বিধ্বস্ত হলেও প্রত্যাঘাত থামায়নি ইরান। বরং তেহরানের হামলায় বিধ্বস্ত ইজরায়েল। চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে আমেরিকাও। এই আবহে চর্চায় ‘ডার্টি বম্ব’। চলতি যুদ্ধে এই হাতিয়ার ইরানের তুরুপের তাস হতে পারে বলে একাংশের আশঙ্কা। যদিও এব্যাপারে কোনও তথ্যপ্রমাণ নেই গোয়েন্দাদের হাতে।
কী এই ‘ডার্টি বম্ব’। আদতে একটি সাধারণ বিস্ফোরক। তবে এর মধ্যে থাকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ। যা বিস্ফোরণের পর ভয়ংকর রেডিয়েশন ছড়িয়ে দেয়। পারমাণবিক বোমার মতো ধ্বংসাত্মক নয়, কিন্তু এর প্রভাব যথেষ্ট ভয়ংকর হতে পারে। বড়ো এলাকা নিমেষে দূষিত করে দিতে পারে এই বোমার বিস্ফোরণ। নির্দিষ্ট এলাকা সাধারণ মানুষের বসবাসের অযোগ্য হয়ে যেতে পারে। এই ধরনের বোমাকে ‘ওয়েপন অফ মাস ডিসরাপশন’ বলা হয়। কারণ এটি স্রেফ কয়েকজন মানুষের মৃত্যুর কারণ নয়, বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অভিশাপ। কোনও কোনও মহলের আশঙ্কা, চলতি সংঘাতে ইরান এই অস্ত্র ব্যবহার করবে। তবে এখনও তেমন কিছুর প্রমাণ মেলেনি। ইরান ‘ডার্টি বম্ব’ ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে, এমন কোনও দাবির সত্যতা নিশ্চিত করেনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থাও। তবে এরপরও আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের একাংশের।
এদিকে, ইজরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ বেন গুরিওন বিমানবন্দরে আঘাত হানল ইরানের দূরপাল্লার ড্রোন ‘আরাশ-২’। ড্রোনটি প্রায় ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘আরাশ-২’ একটি আত্মঘাতী ড্রোন। এতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক বহনের পাশাপাশি উন্নত ন্যাভিগেশন, গাইডেন্স সিস্টেম রয়েছে। পাশাপাশি এই ড্রোন এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে ফাঁকি দিতে পারে।