


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এসআইআর অন্তরায় হবে না মাধ্যমিক পরীক্ষায়। শনিবার তৃণমূল ভবনের সাংবাদিক বৈঠক থেকে প্রায় ১০ লক্ষ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে আশ্বস্ত করলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তাঁর বক্তব্য, এসআইআরের কাজে শিক্ষকদের ব্যস্ত রেখে মাধ্যমিক পরীক্ষা বানচাল করার চেষ্টা হয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। কেন্দ্র চায় না, বাঙালি ছেলেমেয়েরা ভালোভাবে পরীক্ষা দিক। বিজেপি চায়, তাদের কেরিয়ার ধ্বংস হোক। তবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শিক্ষামন্ত্রী যে পরীক্ষার্থীদের পাশে আছে তা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, তাদের কোনো চিন্তা নেই।
মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় একাধিকবার কমিশনকে চিঠি দিয়ে পরীক্ষার সময় শিক্ষকদের ছাড়ার কথা বলেছেন। তবে, কমিশনের তরফে কোনো উত্তর আসেনি। এর ফলে একটা আশঙ্কার আবহ ছিলই। যদিও, হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী পরীক্ষার কাজে শিক্ষকদের ছাড়তে বাধ্য কমিশনও। সেটাই একমাত্র ভরসার জায়গা পর্ষদের। তবে, এবার খোদ শিক্ষামন্ত্রীর আশ্বাসে দুশ্চিন্তার মেঘ আরও কাটল হল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। অন্যদিকে, পর্ষদ এদিনই মাধ্যমিক পরীক্ষার কেন্দ্রীয় কন্ট্রোলরুমের তিনটি নম্বর ঘোষণা করেছে। সেগুলি হল ০৩৩ ২৩২১৩৮১৩, ০৩৩ ২৩৩৭২২৮২ এবং ০৩৩ ২৩৫৯২২৭৭। এছাড়াও চারটি রিজিওনাল অফিসের নম্বরও খোলা থাকবে। চূড়ান্ত জরুরিকালীন পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ইউনিট (০৩৩ ২৩২১৩০৮৯), সেক্রেটারি ইউনিট (০৩৩ ২৩২১৩৮১৬) এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ইউনিটে (০৩৩ ২৩২১৩২১৬) নম্বরে ফোন করা যাবে। কাল, সোমবার সকাল পৌনে ১১টা থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। তা সত্ত্বেও ৮৬টি স্কুল এখনও পর্যন্ত তাদের কিছু ছাত্রের অ্যাডমিট কার্ড পর্ষদ অফিস থেকে সংগ্রহ করেনি। শনিবার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পর্ষদ জানিয়েছে, অবিলম্বে যেন প্রধান শিক্ষকরা তা সংগ্রহ করার ব্যবস্থা নেন। প্রসঙ্গত, ২৭-২৮ জানুয়ারি বিশেষভাবে পোর্টাল চালু করে এই পড়ুয়াদের এনরোলমেন্ট করিয়েছিল ৯৫৪টি স্কুল। তার মধ্যে ৮৬টি স্কুল তাদের অ্যাডমিট নিয়ে যায়নি। নদীয়ায় একটি মাধ্যমিকের প্রস্তুতি।