


সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: শ্রাবণী মেলায় জল্পেশ মন্দিরে প্রথম দিন কত ভক্ত এলেন তার রিপোর্ট দিতে হবে। এদিন ময়নাগুড়ির জল্পেশ মন্দিরে এসে কমিটির সদস্যদের এই কথাই বললেন ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ। আজ জল্পেশ মন্দির ছাড়াও তিস্তার ঘাট পরিদর্শন করেন আইসি। তিস্তা নদীর ঘাটে যে বাঁশ বাঁধার কাজ চলছে সেই কাজে নিযুক্ত লোকজনদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। এখনও পর্যন্ত যে বাঁশ লাগানো হয়েছে সেগুলি খুলে ফেলে মোটা বাঁশ লাগানোর নির্দেশ দেন তিনি।
এইবার প্রথম শ্রাবণী মেলা উপলক্ষ্যে তিস্তার ঘাটে কোন টিকিটের ব্যবস্থা থাকছে না। ঘাটের সমস্ত কাজকর্ম প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে।
এইদিন জল্পেশ মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে শ্রাবণ মাসে মেলা চলাকালীন রবিবারের হাট বন্ধ রাখার বিষয়ে মাইকিং করা হয়। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, রবিবারের হাট শনিবার হবে। অপরদিকে রবিবার ও সোমবার কোনো মাছ-মাংসের দোকান খোলা থাকবে না।
শ্রাবণী মেলার হাতে গোনা কয়েকটি দিন। প্রতিবছর জল্পেশ শ্রাবণী মেলায় ভারতবর্ষের বাইরে থেকেও ভক্তরা আসেন। ইতিমধ্যেই মন্দির কমিটি আলো দিয়ে মন্দির সাজানোর কাজ শুরু করেছে। রঙিন আলো থাকবে মন্দিরের উপরে। পাশাপাশি মন্দির কমিটি জানিয়েছে, জল্পেশ মন্দির থেকে জর্দা নদীর ফুট ব্রিজ পর্যন্ত এবং অপরদিকে জল্পেশ মন্দির থেকে মহামায়া কালীবাড়ি পর্যন্ত আলোর ব্যবস্থা থাকছে।