


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাপান সফর সমাপ্ত করে যাবেন চীন। সেই সফর শুরু হওয়ার আগেই নজিরবিহীনভাবে চীন নিজেকে ভারত-বন্ধু প্রমাণ করতে বিবৃতি দিতে শুরু করেছে। শুক্রবার চীনের বিদেশ মন্ত্রক বলেছে, ভারত এবং চীন যে কোনও সংকটে একজোট হয়ে মোকাবিলা করবে। ভারতের পাশে চীন সবরকম পরিস্থিতিতেই দাঁড়াবে। আর ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করতে চীনের কোনও আড়ালের কূটনীতি করার প্রয়োজন নেই। চীন এবং ভারত যা আলোচনা করে, সবটাই সোজাসুজি ও সরাসরি। চীনের বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্য, ভারতের প্রধনমন্ত্রী আসছেন। এই সাক্ষাতের জন্য দুই পক্ষই উদগ্রীব। গত বছর রাশিয়ার কাজানে দুই রাষ্ট্রপ্রধান বৈঠক করেছিলেন। তখনই স্থির হয় দু’দেশের সম্পর্ককে নতুন এক অধ্যায়ের মাধ্যমে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাওয়া হবে।
এই বিবৃতিতে চীন ট্র্যাক টু ডিপ্লোম্যাসি নেই বলে বুঝিয়েছে। স্পষ্ট বোঝানো হয়েছে, ভারত ও চীন সারসরি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে। কারণ সম্প্রতি বিদেশি মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে যে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার লক্ষ্যে চীনের প্রেসিডেন্ট কয়েক মাস আগে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। মার্কিন মিডিয়ার দাবি ছিল, ওই চিঠির মূল উদ্দেশ্য হল, ভারত সরকারের মনোভাব জানা। অর্থাৎ, জি জিনপিং জানতে চাইছিলেন যে, চীন সম্পর্কে ভারত কী ভাবছে। বস্তুত সেই জল্পনাকে উড়িয়ে দিতেই চীনের বিদেশ মন্ত্রক শুক্রবার জানিয়েছে, ভারত ও চীনের বন্ধুত্ব কোনও ট্র্যাক টু ডিপ্লোমেসির প্রয়োজন অনুভব করে না। ভারত ও চীন এখনও সরাসরি কথা বলে। আগামী দিনেও বলবে।
৩১ আগস্ট চীনের প্রেসিডেন্ট এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে চলেছে। ঠিক পরদিন হবে মোদির ও পুতিনের বৈঠক। মার্কিন বাণিজ্য শুল্ক যুদ্ধের আবহে এশিয়া উদয়ের লক্ষণ স্পষ্ট।