


ঢাকা, ১২ অক্টোবর: বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে পতন হয়েছিল শেখ হাসিনার। তারপর পালাবদল। এখনও ক্ষমতায় মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। তাঁর আমলেই বাংলাদেশে দিনে দিনে বেড়েছে হিন্দু থেকে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। কখনও হিন্দুদের বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া, ফসল নষ্ট করা। হিন্দু সন্ন্যাসীকে গ্রেফতার করে জেলে বন্দি করে রাখা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া। এইসব ঘটনাই ঘটেছে। যা শুধুই ভারত নয়, খোদ বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমও দেখিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের দাবি, তাঁর আমলে দেশে হিন্দুদের উপর কোনও অত্যাচারের ঘটনা ঘটেনি। সবটাই ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের ভুয়ো ও রটানো খবর।
গত সপ্তাহে এক মার্কিন সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ইউনূস বলেন, ‘এই মুহূর্তে ভারত ভুয়ো খবর ছড়ানোয় দক্ষতা অর্জন করেছে। ভুয়ো খবরের ভাণ্ডার। আমরা হিন্দু কিংবা সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের বিষয়ে খুবই সতর্ক। ভারত সবসময়েই আমাদের চাপে রাখার চেষ্টা করে।’ তাহলে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের খবরগুলি সবই মিথ্যে? সেই প্রশ্নের ভিত্তিতে ইউনূস বলেন, যেগুলি ঘটেছে সেগুলি সবই স্থানীয়স্তরে। প্রতিবেশীদের মধ্যে ঝামেলা, কোথাও জমি বিবাদ। এগুলির সঙ্গে সাম্প্রদায়িক অশান্তির কোনও যোগ নেই। পদ্মা পাড়ে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরের খবরও ভুয়ো বলে জানিয়েছেন ইউনূস। হিন্দুদের উপর অত্যাচার নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও মুখ খুলেছিলেন। সেই বিষয়ে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ট্রাম্প এইধরণের কোনও মন্তব্য করেছেন বলে জানি না। বাংলাদেশে বর্তমানে কী চলছে সেটা ট্রাম্প বোধহয় জানেন না।’