


সংবাদদাতা, কল্যাণী: শহরে থিম পুজোর ছড়াছড়ি। কয়েক বছর ধরেই বিগ বাজেটের পুজোর তালিকায় নাম ঢুকেছে কল্যাণীর। তাই প্রতিবছর বিভিন্ন পুজো কমিটি একে অপরের সঙ্গে জোরদার রেষারেষিতে জড়িয়ে পড়ে। ভিড়ও থাকে নজরকাড়া। চলতি বছরেও কোথাও বৌদ্ধ মন্দির, কোথাও ময়ূর মহল, কোথাও আবার কুলো, কঞ্চি, চট ব্যবহার করে টেরাকোটার মণ্ডপ তৈরি করা হচ্ছে। দর্শকদের মন জয় করার বিষয়ে আশাবাদী সব উদ্যোক্তারাই।
এই বছর ৬২ তম বর্ষে কল্যাণীর রথতলা সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির ভাবনা আমেরিকার স্বামীনারায়ণ মন্দির। মণ্ডপ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে প্লাইউড, ফোম, চট, বাঁশ, বাটাম প্রভৃতি। সুউচ্চ এই প্যান্ডেল তৈরি করতে দৈনিক বহু শিল্পী সেখানে কাজ করে চলেছেন। উদ্যোক্তারা জানাচ্ছেন, বৃষ্টিতে কাজে সামান্য বিঘ্ন হলেও সময় মতোই তাঁরা মণ্ডপের কাজ সম্পূর্ণ করে ফেলবেন। তাঁদের আরও দাবি, মণ্ডপ ছাড়াও প্রতিমা, আলোকসজ্জাও দর্শকদের মন কাড়বে। কল্যাণী বারাকপুর এক্সপ্রেসওয়ের বুদ্ধ পার্ক মোড়ের কাছে পৌঁছলেই এই মণ্ডপ দেখতে পাবেন দর্শকরা। পুজোয় মণ্ডপ ছাড়াও থাকছে সুবিশাল মেলা। এই বিষয়ে পুজো কমিটির অন্যতম সদস্য বিপ্লব দে বলেন, আমরা আশাবাদী যে অন্যান্য বছরের মতো এই বছরও আমাদের পুজো দর্শকদের মন জয় করবে।
অন্যদিকে, রথতলা ছাড়াও কল্যাণী শহর জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে অন্তত ৬২টি ছোট ও বড় বাজেটের পুজো। রয়েছে শহরের এ-৭ ও ডি-ব্লকে দু’টি সর্বজনীন পুজো। এত বড় আকারে না হলেও তাঁদের দুই পুজোতেই থাকে সাবেকিয়ানার ছোঁয়া। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পাড়ার লোকেদের নিয়ে খাওয়া-দাওয়া– এগুলিই পুজো দু’টির বিশেষত্ব। মণ্ডপের পাশাপাশি মানানসই প্রতিমা, আলোকসজ্জাও থাকে। সেই মণ্ডপ দু’টির কাজও চলছে জোরকদমে। এখানেও দর্শকদের ভিড় নেহাত কম হয় না।