


ওয়াশিংটন: ‘ভোলাদিমির, আপনি কি মস্কোতে হামলা করতে পারবেন? সেন্ট পিটসবার্গকেও নিশানায় রাখতে পারবেন?’ বক্তা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পুতিনের সঙ্গে সদর্থক বৈঠক না হওয়ার পর গত ৪ জুলাই ফোনে ইউক্রেন প্রেসিডেন্টকে নাকি এমনটাই বলেছেন ট্রাম্প। এই মুহূর্তে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধবিরতির জন্য তদ্বির করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। রাশিয়াকে তিনি শর্ত দিয়েছেন, হয় ৫০ দিনের সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হও। না হলে তোমাদের ওপর ১০০ শতাংশ নিষেধাজ্ঞা জারি করব। স্বাভাবিকভাবেই ট্রাম্পের সেই শর্তে রাজি হননি পুতিন। এতেই তিতিবিরক্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও রুশ প্রেসিডেন্টের সম্পর্কে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ‘আশাহত হয়েছেন কিন্তু সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি।’
সূত্রের খবর, পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পরেই ৪ জুলাই ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভোলাদিমির জেলেনস্কিকে ফোন করে এই কথা বলেন ট্রাম্প। উত্তরে জেলেনস্কি বলেন, ‘আপনি অস্ত্র সরবরাহ করলে অবশ্যই পারব।’ যদিও ওয়াশিংটনের তরফে কিয়েভে তেমন কোনও অস্ত্র পাঠানো হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। রবিবার ট্রাম্প বলেছেন, আমেরিকা ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠাবে। তাঁদের দেশ রক্ষার অধিকার আছে। পুতিন বৈঠকে ভালো কথা বলেন, কিন্তু সন্ধ্যা হলেই বোমা ফেলেন।’ সূত্রের খবর, ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘর্ষে নিজের অবস্থান বদল করছেন ট্রাম্প। রাশিয়াকে ‘শিক্ষা’ দিতে চান তিনি। যে কোনও মূল্যে ক্রেমলিনকে আলোচনার টেবিলে আনাই তাঁর লক্ষ্য। মার্কিন মুলুকের এই অবস্থান পরিবর্তনের কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে রাশিয়ার তরফেও। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্র পেশকভ বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্য অত্যন্ত গুরুতর। ওয়াশিংটনের তরফে ঠিক কী বলা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখবে রাশিয়া’।