


সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: ১৫ মার্চ শনিবার রাতে তারকেশ্বর থানার পাঁচগেছিয়া এলাকায় বচসার জেরে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা।
দোষীদের শাস্তি ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবিতে দেহ আটকে পুলিসকে বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয় বাসিন্দারা। মধ্যরাত পর্যন্ত বিক্ষোভ চলার পর পুলিস আধিকারিকদের আশ্বাসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই ঘটনায় সোমবার দু’জনকে গ্রেপ্তার করল তারকেশ্বর থানার পুলিস। ধৃতদের নাম উমেশচন্দ্র রুইদাস ও শ্যামল মালিক। দু’জনেরই বাড়ি তারকেশ্বর থানার পিয়াসাড়া।
জানা গিয়েছে , ১৫ মার্চ রাতে তারকেশ্বর পিয়াসাড়া পঞ্চায়েতের অন্তর্গত রামচন্দ্রপুর এলাকার বাসিন্দা বছর ষাটের রাখালচন্দ্র ঘোষকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, চাষিদের থেকে আলু কিনে ইঞ্জিন ভ্যানে চাপিয়ে যাচ্ছিলেন রাখাল ঘোষ ও তাঁর ছেলে। সেই সময় রাস্তায় পাশ দেওয়া নিয়ে বেশ কয়েক জনের সঙ্গে শুরু হয় বচসা। উত্তেজনা চরমে পৌঁছলে ইঞ্জিন ভ্যানের হ্যান্ডেল দিয়ে রাখাল ঘোষের মাথায় মারা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়দের মানুষের দাবি, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। মৃতের ছেলের কাজের ব্যবস্থা বা চাষের জমির ব্যবস্থা করে দিতে হবে। স্থানীয় বাসিন্দা ও আত্মীয়রা পুলিসকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। শ্যামল মালিক, উমেশ রুইদাস, উত্তম রুইদাস, বিশ্বজিৎ রুইদাস, মনোহর রুইদাস সহ ৭ জনের বিরুদ্ধে তারকেশ্বর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। লক্ষ্মী রুইদাস নামে এক অভিযুক্তকে ঘটনার পরের দিন অর্থাৎ ১৬ মার্চ গ্রেপ্তার করে পুলিস। এই ঘটনায় আরও দুইজন গ্রেপ্তার হল। উমেশ রুইদাসকে গ্রেপ্তার করা হয় পশ্চিম মেদিনীপুরের রামজীবনপুর এলাকা থেকে। শ্যামল মালিক গ্রেপ্তার হয় বর্ধমানে। এখনও পর্যন্ত মোট তিনজন গ্রেপ্তার হল। নিজস্ব চিত্র