


সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে ডুবে গেল দু’টি ট্রলার। একটিতে ১১ জন, অন্যটিতে ১৬ জন মৎস্যজীবী ছিলেন। তবে সবাইকেই উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। মৎস্যজীবী সংগঠন সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার নামখানার ১০ মাইল খেয়াঘাট থেকে এফবি সাকিলা নামের একটি ট্রলার ১১ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিল। এদিন জম্বুদ্বীপ থেকে ট্রলারটি অনেকটা দূরে চলে যাওয়ার পর হঠাৎই জলযানের সি-কক পাইপ ফেটে যায়। এরপর ওই ট্রলারে জল ঢোকায় শেষ পর্যন্ত উত্তাল সমুদ্রে ডুবতে শুরু করে সেটি। সেই সময় আশপাশে থাকা ট্রলারের মৎস্যজীবীরা ঘটনাটি দেখতে পান। তাঁরাই ডুবন্ত ট্রলারের মৎস্যজীবীদের উদ্ধার করে উপকূলে নিয়ে আসেন। পাশাপাশি ডুবে যাওয়া ট্রলারকে উপকূলে টেনে নিয়ে আসার চেষ্টা চলছে।
অন্যদিকে, এফবি মা দুর্গা নামের আরেকটি ট্রলার ১৬ জন মৎস্যজীবী নিয়ে শুক্রবার নামখানার খেয়াঘাট থেকে মাছ ধরতে সমুদ্রে গিয়েছিল। শুক্রবার সেটি কেঁদুয়া দ্বীপ হয়ে গভীর সমুদ্রের দিকে রওনা দেয়। রাত ১০টা নাগাদ হঠাৎ ওই ট্রলারের নীচের অংশের তক্তা খুলে যায়। তারপর জল ঢুকতে শুরু করে ট্রলারে। কিছুক্ষণের মধ্যেই ট্রলারটির সিংহভাগ অংশ সমুদ্রে ডুবে যায়। সেই সময় মৎস্যজীবীরা বাঁচার তাগিদে চিৎকার করলে আশপাশের ট্রলারে থাকা মৎস্যজীবীরা শুনতে পান। তাঁরাই এগিয়ে এসে ডুবে যাওয়া ট্রলারের মৎস্যজীবীদের উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, ‘দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া কেটে যাওয়ার পর ট্রলারগুলি মাছ ধরতে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিল। মরশুমের শুরুতেই দু’টি ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। তবে ডুবে যাওয়া ট্রলারের সব মৎস্যজীবী সুস্থ রয়েছেন।’ নিজস্ব চিত্র