


ইসলামাবাদ: সন্ত্রাসবাদের মদতদাতা হিসেবে আগেই একঘরে হয়ে গিয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের এই দুর্দিনে সামরিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এল তুরস্ক। রবিবারই প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নিয়ে করাচি বিমানবন্দরে নামে তুরস্ক বায়ুসেনার সি-১৩০ হারকিউলিস বিমান। শুধু তাই নয়, ইসলামাবাদের পাক বায়ুসেনার ঘাঁটিতে নেমেছে তুরস্ক বায়ুসেনার ছ’টি যুদ্ধবিমানও। বহুদিন ধরেই আন্তর্জাতিক মহলে চীন, পাকিস্তান ও তুরস্ক মিত্র দেশ হিসেবে পরিচিত। এবার পাকিস্তানের দুর্দিনেও কাজ শুরু করেছে এই অক্ষ। রবিবারই খবর আসে ইসলামাবাদকে তাদের অত্যাধুনিক পিএল-১৫ এয়ার টু এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়েছে বেজিং। পাকিস্তানের জেএফ-১৭সি যুদ্ধ বিমানগুলিতে এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা যুক্ত করা হয়েছে। এবার পাকিস্তানের পাশে তুরস্ক।
পাকিস্তানের পাশে থাকার বার্তা দিয়েই চলেছে চীন। রবিবার দেশের পরিস্থিতির কথা জানিয়ে চীনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-কে ফোন করেন পাক বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার। ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশকেই সংযম দেখাতে বলেন ওয়াং। শান্তি প্রতিষ্ঠাই দুই দেশের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত বলে নাকি মন্তব্য করেছেন চীনা বিদেশমন্ত্রী। ইশাক দারের কথায়, ‘পাকিস্তানের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইকে সবসময় সমর্থন জানিয়েছে চীন। পাকিস্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কথাও চীন বুঝতে পেরেছে।’ এরই মধ্যে সিন্ধুর পাল্টা হিসেবে ব্রহ্মপুত্রের জল বন্ধ করে দেওয়ার জন্য চীনকে আর্জি জানিয়েছে পাক প্রশাসন। ইসলামাবাদের আর্জি, ভারতকে সবক শেখাতে হলে ওই নদের জল বন্ধ করে দিতে হবে। তাহলে জলের অভাবে ভারতও শুকিয়ে মরবে।