


নিউ ইয়র্ক: আগামী সপ্তাহে আমেরিকার নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার অধিবেশন। সেখানে ইরানের প্রতিনিধিরা যোগ দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছিল। তবে, ইরানের শীর্ষ কূটনীতিকদের আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি দিতে চলেছে ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন বিদেশ বিভাগ জানিয়েছে, রাষ্ট্রসংঘের সদর দপ্তর আমেরিকায়। ফলে তারা কিছু বিষয়ে দায়বদ্ধ। সেজন্যই ইরানের কূটনীতিকদের সাধারণ সভায় যোগ দেওয়ার জন্য অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। একটি সূত্রের খবর, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিকে ইতিমধ্যেই ভিসা দেওয়া হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আক্রমণ চালায় আমেরিকা। যুদ্ধের তীব্রতা কমলেও হরমুজ প্রণালী নিয়ে এখনও দুই দেশের সংঘাত থামেনি। মাঝে বেশ কয়েকবার আলোচনা হলেও সমাধানসূত্র বেরোয়নি। এর আগে ফুটবল বিশ্বকাপের সময়ও ইরানের খেলোয়াড়দের আমেরিকায় ঢুকতে দেওয়া নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সেই সময় ইরানি ফুটবলাররা আমেরিকায় ম্যাচ খেলতে পারলেও তাঁদের মেক্সিকোয় থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ইরানের কূটনীতিকদের আমেরিকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হলেও একাধিক শর্তও চাপিয়েছে মার্কিন বিদেশ দপ্তর। ইরানি প্রতিনিধিরা বিলাসবহুল সামগ্রী বা অন্য কোনো কিছুই কিনতে পারবেন না। এছাড়া তাঁদের গতিবিধিও নিউ ইয়র্কের কয়েকটি ভবনেই সীমাবদ্ধ থাকবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৯৪৭ সালের রাষ্ট্রসংঘের সদর দপ্তর চুক্তি অনুযায়ী, বিদেশি কূটনীতিকদের রাষ্ট্রসংঘের কার্যালয়ের প্রবেশের সুযোগ দেওয়া আমেরিকার আবশ্যিক দায়িত্ব। তবে, নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ ও বিদেশনীতির মতো বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে ভিসা প্রত্যাখ্যান করেছে ওয়াশিংটন। এবারও রাষ্ট্রসংঘের বৈঠকের জন্য প্যালেস্টাইনের প্রতিনিধিদের ভিসা দিতে রাজি হয়নি ট্রাম্প প্রশাসন।