


কলকাতা, উলুবেড়িয়া, ঝাড়গ্রাম, তমলুক, জলপাইগুড়ি, ২৫ আগস্ট: নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য বৃদ্ধির চাপে রীতিমতো হাঁসফাঁস অবস্থা মধ্যবিত্তের। চিনি থেকে সবজি, পেঁয়াজ থেকে আলু প্রত্যেকটা জিনিসের দাম বাড়ছে হু হু করে। আর এই মূল্যবৃদ্ধিতে নড়েচড়ে বসেছে সরকার। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রশাসনিক আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন এই ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নিতে। আর তারপরেই বাজারে বাজারে হানা দেওয়া শুরু করলেন প্রশাসনিক কর্তারা। মঙ্গলবার সকালে কলকাতার কোলে মার্কেট ও পোস্তা বাজারে আচমকা হানা দেন টাস্ক ফোর্সের আধিকারিকরা। উলুবেরিয়া মহকুমার বিভিন্ন বাজারে হানা দিলেন আধিকারিকরা। বাজারে বাজারে ঘুরে জিনিসের দাম পরীক্ষা করেন তারা। এদিন হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিশ সুপার অমিত ভর্মা, উলুবেরিয়া মহকুমা শাসক মানস কুমার মন্ডল সহ অন্যান্য আধিকারিকরা বিভিন্ন বাজারে বাজারে যান।
নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে মঙ্গলবার সকালে লেকটাউন পুরো বাজারে হানা দিলেন বিধাননগরের মহকুমা শাসক প্রিয়াংশু গর্গ এবং ডেপুটি পুলিশ কমিশনার দেবরাজ দাস। ঝাড়গ্রাম শহরের চিনি, তেল, আটার দাম বৃদ্ধির কারণের খোঁজে বিভিন্ন বাজারে বাজারে ঘুরলেন মহাকুমা শাসক এবং এসডিপিও।
পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা শাসক নিরঞ্জন কুমার ও পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা তমলুক শহরের মেছোবাজারের বিভিন্ন দোকানে দোকানে যান। দোকানিদের সতর্ক করে তাঁরা জানান অতিরিক্ত দাম নিলে কড়া পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন। এইভাবেই রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন বাজারে এবং দোকানে ঘুরে মূল্যবৃদ্ধির হাল খতিয়ে দেখলেন প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের বাজারে বাজারেও চলল সরকারি আধিকারিকদের হানা। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের কালোবাজারি রুখতে জলপাইগুড়িতে বাজারে যান জেলাশাসক অদিতি চৌধুরী ও পুলিশ সুপার সুজাতা কুমারী বীণাপানির। সঙ্গে ছিলেন জেলা খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর, কৃষি বিপণন দপ্তর, স্বাস্থ্য দপ্তর সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা। দোকানে দোকানে ঘুরে জেলাশাসক যেমন জিনিসপত্রের দাম যাচাই করেন, তেমনই কোনো দোকানে চিনি, চাল সহ কোনো নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বেআইনিভাবে মজুত করা আছে কি না তা খতিয়ে দেখেন। ভোজ্য তেল, মিষ্টি সহ বিভিন্ন খাবারের নমুনাও সংগ্রহ করেন ডিএম।