


সংবাদদাতা, কল্যাণী: চাকদহ থানার শিমুরালির নরপতিপাড়া মৌজায় ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন জমি নিয়ে কাজিয়ায় জড়ালেন দুই বিজেপি বিধায়ক। ১১ শতক আয়তনের একটি জমির মালিকানা দাবি করছেন দুই বিধায়কই। রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক অসীমকুমার বিশ্বাস এবং হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার। তবে দু’জনই জানাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক খুবই ভালো!
বিতর্কিত ওই ১১ শতক জমি ৮৯০ নম্বর খতিয়ানের অন্তর্গত। রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়কের দাবি, ২০২১ সালে রেকর্ড এবং চেইন ডিড যাচাই করেই তিনি জমিটি কিনেছিলেন। তাঁর কাছে জমি কেনার যাবতীয় নথি রয়েছে। অন্যদিকে, হরিণঘাটার বিধায়ক অসীমের দাবি, বিতর্কিত ১১ শতকসহ মোট ৩২ শতক জমি তিনি গত আগস্টে কিনেছেন। কল্যাণীতে রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। বিএলআরও’র নথি যাচাইয়ের পরই তিনি জমিটি কেনেন। তিনি বলেন, ‘জমিটা আমি কিনেছি। আমি না লিখে দিলে ওই জমি কখনোই ওঁর হবে না। তবে আমরা একই পরিবারের। দাদা নিশ্চয়ই বুঝবেন।’ রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক অসীম বলেন, ‘আমার নথি জাল নাকি ওঁর নথি জাল, সেটা আদালতেই প্রমাণ হবে। কেউ তো আর বিনা পয়সায় কেনেননি। ওঁর সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত ঝামেলা নেই। ঝামেলা শুধু জমিটাই।’
তবে এই পারস্পরিক সৌজন্য বার্তায় লাগাম পড়ছে না বিতর্কে। দু’জনই বিতর্কিত জমির সামনে নিজেদের নামে বোর্ড লাগিয়েছেন। প্রস্তাবিত কল্যাণী গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরের কাছাকাছি জমিটির অবস্থান হওয়ায় বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে এনিয়ে চাকদহ থানায় কোনো পক্ষের তরফেই লিখিত অভিযোগ হয়নি। তাহলে ওই জমির বৈধ মালিক কে? সেটাই আপাতত লাখ টাকার প্রশ্ন!