


ইসলামাবাদ: সেনা বারাকে জলের ট্যাংক পৌঁছতেই শুরু হল মারামারি। কে আগে জল নেবে, তাই নিয়ে কলতলার ঝগড়া নিমেষে পৌঁছে গেল হাতাহাতিতে। এ ওকে লক্ষ্য করে ঘুসি। তো অন্যপক্ষের হাতিয়ার লাথি। এই হাতাহাতি-লাথালাথির সময় কারও পরনে ছিল সেনার উর্দি। কেউ ছিলেন সাধারণ পোশাকে। শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা শিকেয় তুলে এভাবেই বিবাদে জড়িয়ে পড়লেন সেনাকর্মীরা। পাকিস্তানের ওয়াজিরিস্তানের আসমান মানজা ব্রিগেডের এই ঘটনার ভিডিয়ো সামনে আসতেই পানীয় জলের সংকটের চিত্র প্রকাশ্যে চলে এসেছে। স্থানীয় সংবাদসংস্থার খবর, জলের দখল নিয়ে বিবাদে জড়িয়ে পড়েছিল স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ, ফ্রন্টিয়ার কোর এবং সেনার গোয়েন্দা শাখা। তাতে মোট ২২ জন জখম হয়েছেন। তবে স্থানীয় মাধ্যম দাবি করলেও বিবাদের স্থান, কাল ও পাত্র নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি পাক সেনার মিডিয়া শাখা আইএসপিআর। তীব্র পানীয় জলের সংকটের জন্য প্রায়ই বিবাদের ঘটনা ঘটে সাউথ ওয়াজিরিস্তানে। পরিস্থিতির উন্নতিতে গত সপ্তাহে বৈঠকে বসে জেলা প্রশাসন। অনিয়মিত জল সরবরাহ সমস্যার সমাধানে উচ্চ পর্যায়ের কমিটিও গঠন করেছে প্রশাসন। তবে পরিস্থিতির যে কোনো উন্নতি হয়নি, সেনার সদর কার্যালয়ের বিবাদই প্রমাণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, বারাকে সেনার বিভিন্ন শাখার মধ্যে হাতাহাতি আসলে হিমশৈলের চূড়া মাত্র। অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের কারণে দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানের জলস্তর অনেকটাই কমে গিয়েছে। প্রশাসনের গাফিলতির কারণে নলবাহিত পানীয় দল পরিষেবাও বেহাল। অগত্যা ট্যাংকের জলই ভরসা। আর সেভাবেই জল সরবরাহ করতে হয় সেনা বারাকেও।