


নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: যাঁরা শিশুদের ভ্যাকসিন দিতে দেন না, তাঁরা কেন সরকারি সুযোগ সুবিধা পাবেন? যাঁরা নিজের সন্তানদের এমন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করান, সেখানে জাতীয় সংগীত কিংবা বন্দেমাতরম গাইতে অসুবিধা হয়। তাঁরা কেন সরকারি সুযোগ নেবেন? সোমবার নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের রেয়াপাড়ার সরকারি অনুষ্ঠান থেকে এমনই বিতর্কিত প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ভ্যাকসিন দিলে নাকি জন্ম নিয়ন্ত্রণ হয়ে যাবে। এই অজুহাতে বাচ্চাদের ভ্যাকসিন দিতে বাধা দেওয়া হয়। তাঁরা কেন সরকারি পরিষেবা পাবেন? যাঁরা সরকারি অনুমোদিত স্কুলে বাচ্চাদের ভর্তি না করিয়ে এমন জায়গায় ভর্তি করান যেখানে বন্দেমাতরম গাইতে বা জাতীয় সংগীত গাইতে তাদের অসুবিধা হয়। তাঁরা কেন সরকারি সুযোগ সুবিধা পাবেন?
এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিগত সরকারের আমলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে লক্ষ লক্ষ অযোগ্য নাম পাওয়া গিয়েছে। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া, মৃত, অভারতীয়, এলাকায় না থাকা ব্যক্তিরাও সুবিধা নিয়েছে। কয়েক লক্ষ পুরুষের অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকিয়েছে। মুর্শিদাবাদের ডোমকল ব্লকে সাড়ে তিন হাজার ফেক অ্যাকাউন্টে মাইনোরিটি স্কলারশিপের টাকা ঢোকানো হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা চাই, প্রকৃত মানুষের হাতে টাকা আসুক। তাঁরা পরিষেবা পান। আপনারা রাষ্ট্রবাদী মানুষজন। আপনারা নিশ্চয়ই চাইবেন না, বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী অন্নপূর্ণা যোজনা, বার্ধক্য ভাতা ও বিধবা ভাতার টাকা পান।