


সংবাদদাতা, বারুইপুর: ইদানীং বাজ পড়ে মৃত্যুর ঘটনা বেড়েই চলেছে। তালগাছ ব্রজপাত নিরোধক। তাই সুন্দরবনের কুলতলিতে গ্রামের রাস্তার দু’পাশে তালগাছের আঁটি বসাচ্ছেন গ্রামের মহিলারা। প্রায় ১৫০০-এর বেশি আঁটি বসানো হচ্ছে। গ্রামের মহিলারাই নিয়েছেন এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব।
জন্মাষ্টমীতে বাড়ি বাড়ি পুজো লেগে থাকে। কুলতলির দেউলবাড়িতেও হয় নন্দ উৎসব। তাতে বাড়ি বাড়ি তালের প্রয়োজন হয়। এই তালের আঁটিই গ্রামের প্রতি পাড়ায় রাস্তার দু’পাশে বসানোর চিন্তাভাবনা করেছেন মহিলারা। পুলক মণ্ডল নামে এক গ্রামবাসীর কথায়, মহিলারা নিজেরাই এগিয়ে এসেছেন এই কাজে। কারণ গ্রামে তালগাছের সংখ্যা কমেছে। তালগাছ একদিকে যেমন বজ্রপাত নিরোধক, তেমনই এর অর্থনৈতিক ও সামাজিক গুরুত্বও রয়েছে। তাই মহিলাদের এমন চিন্তাভাবনা।
এক গৃহবধূ করবী ঘোষ বলেন, তালের পাতা দিয়ে হাতপাখা, ঝুড়ি, চাটাই, মাদুর, পুতুল, ব্যাগ তৈরি করে আমরা নিজেরাই স্বনির্ভর হতে পারি। বাজারে তা বিক্রি করলে সংসারের আয়ও বাড়বে। তাই বেশি পরিমাণে তালের আঁটি বসানো হচ্ছে। সোমা হালদার নামে আরেক মহিলা বলেন, তালের আঁটি এই কাজের জন্য আগেই সংগ্রহ করা হয়েছিল। তাই কাজে সুবিধা হয়েছে। কদিন আগেই এই এলাকায় বাজ পড়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। আমরা জানি, তালগাছ অনেক উঁচু হওয়ায় বজ্রপাত সরাসরি এর মাধ্যমে মাটিতে চলে যায়। তাই বজ্রপাত প্রতিরোধেও তালগাছ লাগবে। নিজস্ব চিত্র