


আর্জেন্তিনা- ৫ : জাম্বিয়া- ০
ব্রাজিল- ৩ : ক্রোয়েশিয়া- ১
বুয়েনস আইরেস: দ্বিতীয়ার্ধের খেলা সবে শুরু। বক্সের মধ্যে থিয়াগো আলমাদাকে ফাউল করেন জাম্বিয়া ডিফেন্ডার। ঘরের মাঠে তখন ২-০ গোলে এগিয়ে আর্জেন্তিনা। প্রথমার্ধে নিজে জাল কাঁপানোর পাশাপাশি জুলিয়ান আলভারেজকে দিয়ে গোল করান লিও মেসি। স্বাভাবিকভাবেই পেনাল্টি শটের জন্য তাঁর দিকেই বল এগিয়ে দেন বাকিরা। তবে সকলকে অবাক করে নিকোলাস ওটামেন্ডিকে স্পটকিক মারার জন্য ডেকে নেন লিও। আসন্ন বিশ্বকাপের পরই দেশের জার্সিতে বুটজোড়া তুলে রাখবেন এই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার। ফলে তার আগে ঘরের মাঠে বিদায়ী ম্যাচ স্মরণীয় করতে রাখতে ওটামেন্ডিকে দিয়ে গোল করালেন মেসি। জাল কাঁপিয়ে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডারও চোখের জলেই মেসিকে ধন্যবাদ জানালেন। আবেগের বিস্ফোরণের ম্যাচে ৫-০ গোলে জিতল আর্জেন্তিনা। সেই সুবাদে বিশ্বকাপের আগে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন কোচ লায়োনেল স্কালোনি। মেসি, ওটামেন্ডি ও আলভারেজ ছাড়া স্কোরশিটে নাম তোলেন ভ্যালেন্টিন বার্কো। অপর গোলটি আত্মঘাতী।
২০২৬ বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে ইতি টানতে পারেন মেসিও। ফলে আর দেশের মাটিতে তাঁকে খেলতে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়। তাই এদিন মেসিকেও বেশ আবেগপ্রবণ দেখাল। ম্যাচ শেষে কিছুক্ষণ শূন্যে তাকিয়ে রইলেন। অজান্তেই কখন যেন ভিজে গেল তাঁর চোখ দু’টি। তবে দ্রুত নিজেকে সামলে নিয়ে আসতে আসতে এগিয়ে গেলেন গ্যালারির দিকে। তারপর দু’হাত নেড়ে সমর্থকদের ধন্যবাদ জানালেন। মাঠ তখন ‘মেসি, মেসি’ ধ্বনিতে মুখরিত।
দিনের অপর ফিফা ফ্রেন্ডলিতে ক্রোয়েশিয়াকে ৩-১ গোলে হারাল ব্রাজিল। ফ্রান্সের কাছে গত ম্যাচে হারের ধাক্কা কাটিয়ে বিশ্বকাপের আগে স্বস্তির জয় তুলে নিল কার্লো আনসেলোত্তি ব্রিগেড। ম্যাচে সেলেকাওদের হয়ে জাল কাঁপান যথাক্রমে ডানিলো, ইগর থিয়াগো ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। ক্রোয়েশিয়ার একমাত্র গোলটি লোভরো মাজেরের।