


শারজা: খেলোয়াড়ি জীবনে হরভজন সিংয়ের ‘দুসরা’ ছিল বিখ্যাত। অফ স্পিনের বদলে বল বাইরের দিকে টার্ন নিত। দুসরার ফাঁদে তাবড় ব্যাটারকে প্যাভিলিয়নের রাস্তা দেখিয়েছেন ভাজ্জি। অবসরের পর হরভজনের চোখা মন্তব্যেও সেই দুসরার ঝাঁঝ। বৃহস্পতিবার কার্যত কামান দেগেছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার। ঠিক কী বলেছেন ভাজ্জি? তাঁর মন্তব্য, ‘রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির ভবিষ্যৎ নিয়ন্তক কারা? দুর্ভাগ্য, তাঁদের বিশেষ কোনও অ্যাচিভমন্টই নেই।’ নিশানায় কে বা কারা? নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকর নাকি চিফ কোচ গৌতম গম্ভীর? সন্দেহ নেই, হরভজন আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছেন।
২০২৭ সালের ওডিআই বিশ্বকাপে রোকো (রোহিত, কোহলি) কি জুটিকে দেখা যাবে? নানা সম্ভাবনার চুলচেরা বিশ্লেষণে মেতেছেন বিশেষজ্ঞরা। সাদা বলের ক্রিকেটে স্বপ্নের ফর্মে বিরাট। প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে টানা দু’টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে শতরান হাঁকিয়ে ফুটছেন। রাঁচিতে হিটম্যানের ব্যাটেও স্ট্রোকের ফুলঝুরি। এই প্রসঙ্গে ভাজ্জির মন্তব্য, ‘কমেন্ট্রি বক্স থেকে রোকো’র ব্যাটিং মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে দেখতে হয়। তাদের নিয়ে এত গুজগুজ, ফিসফাস শোনা দুর্ভাগ্যজনক। মনে রাখা উচিত, ওরা শুধুই ক্রিকেটার নয়, কিংবদন্তি।’ ভাজ্জি মুখ খেলার পরেই বিতর্ক শুরু। আসলে কোচ গৌতম গম্ভীরের সঙ্গে রোকো জুটির দূরত্ব নিয়ে প্রবল চর্চা অব্যাহত। অনেকেরই ধারণা, স্রেফ গম্ভীরের সঙ্গে ঠোকাঠুকিতে লাল বলকে বিদায় জানিয়েছেন দুই তারকা। এবার তাঁদের ওয়ান ডে থেকেও ছেঁটে ফেলতে চান গম্ভীর। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে আসরে নেমেছে বোর্ড। শনিবার তৃতীয় একদিনের ম্যাচের পর আগরকর ও গম্ভীরের সঙ্গে বিসিসিআইয়ের মিটিং। সূত্রের খবর, আগামী বিশ্বকাপে কোহলিদের সম্পর্কে টিম ম্যানেজমেন্টের পালস বুঝতেই এই বৈঠক। এমন পরিস্থিতিতে তির ছুড়লেন ভাজ্জি।
ঘরের মাঠে বাভুমাদের বিরুদ্ধে দু’টি টেস্টেই আত্মসমর্পণ করেছে টিম ইন্ডিয়া। ঘরের মাঠে এমন পরিণতি কেন? হরভজনের বিশ্লেষণ, ‘উইকেটকে দায়ী করা অর্থহীন। স্পোর্টিং পিচে খেলা উচিত টিম ইন্ডিয়ার। দলে প্রতিভার অভাব নেই। কিন্তু মানসিকতার বদল প্রয়োজন।’