


বেঙ্গালুরু: এবছর মাইসুরুর দশেরা উৎসব উদ্বোধনে আমন্ত্রণ বুকারজয়ী সাহিত্যিক বানু মুস্তাককে। কর্ণাটকে সিদ্ধারামাইয়া সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সরব বিজেপি। ধর্মীয় বিভাজন উস্কে এব্যাপারে রাজ্যের কংগ্রেস সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছেন গেরুয়া দলের প্রাক্তন সাংসদ প্রতাপ সিমহা। এব্যাপারে গেরুয়া নেতার বক্তব্য, ‘মুসলিম বলে বানু মুস্তাককে আমন্ত্রণের বিরোধিতা তাঁরা করছেন না। বুকার পুরস্কার জিতে রাজ্য তথা দেশকে গর্বিত করেছেন তিনি। কিন্তু দশেরা তো কোনও ধর্মনিরপেক্ষ উৎসব নয়। তা একেবারেই ধর্মীয় অনুষ্ঠান।’ সিমহা আরও বলেন, ‘বিজয়নগর সাম্রাজ্যের সময় থেকে মাইসুরুতে এই উৎসব হয়ে আসছে। আজও মাইসুরু প্রাসাদে আচার-অনুষ্ঠান হয়। এখন রাজ্য সরকার দশেরা উৎসব পালন করে ঠিকই। কিন্তু সেটা ধর্মনিরপেক্ষতার উদাহরণ নয়। এই উৎসবে দেবী চামুণ্ডেশ্বরীর পুজো হয়ে থাকে। বানু মুস্তাক কি দেবী চামুণ্ডেশ্বরীর ভক্ত? উনি আমাদের রীতিনীতি জানেন?’ সিমহার এই বক্তব্য নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাতে চাননি বানু। তবে তিনি যে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসবেন, তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। শুক্রবার বানু মুস্তাকের দশেরা উৎসব উদ্বোধনের কথা ঘোষণা করেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া। তিনি বলেন, ‘হাসানের বিশিষ্ট সাহিত্যিক বানু মুস্তাক দশেরা মহোৎসব উদ্বোধন করবেন। ২২ সেপ্টেম্বর উৎসব শুরু। বিজয়া দশমী আগামী ২ অক্টোবর। বানু মুস্তাকের ‘হৃদয় দীপ’ বুকার পুরস্কার পেয়েছে। কর্ণাটকের মানুষের কাছে তা অত্যন্ত গর্বের ব্যাপার। ব্যক্তিগতভাবে ওঁর সঙ্গে কথা বলেছি। সাহিত্যিককে আমন্ত্রণ জানাবে জেলা প্রশাসন।’ এবিষয়ে রাজ্য বিজেপি প্রধান বি ওয়াই বিজয়েন্দ্র বলেন, ‘আমরা বানু মুস্তাককে সম্মান করি। বানুর লেখা অনুবাদ করে বুকার পুরস্কার পেয়েছিলেন দীপা ভাস্তি। কিন্তু সিদ্ধারামাইয়া শুধু বানুকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।’