


নয়াদিল্লি: পর পর দু’টি ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপে বেশ বিপাকে হরমনপ্রীত কাউর ব্রিগেড। পয়েন্ট তালিকায় আপাতত তৃতীয় স্থানে ভারত (৪ খেলে ৪)। সোমবারের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলে মান্ধানারা চতুর্থস্থানে নেমে যাবেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, সেমি-ফাইনালের টিকিট কি আদৌ জোগাড় করতে পারবেন ভারতীয় মেয়েরা? হরমনপ্রীতদের এখনও তিনটি ম্যাচ বাকি। তিনটিতে জিতলে শেষ চারে জায়গা নিশ্চিত। দু’টো জিতলে নেট রান রেটের অঙ্ক কষা হবে। তাই ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড এবং বাংলাদেশ ম্যাচের আগে ভুলত্রুটি শুধরে নিয়ে দুর্দান্ত কামব্যাক প্রয়োজন। হাতে অনেকটা সময়। পরের ম্যাচ ১৯ অক্টোবর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ইন্দোরে। বিশাখাপত্তনমে ভারত দুটো ম্যাচই হেরেছে। সেই নিরিখে ভেন্যু পরিবর্তন কিছুটা আত্মবিশ্বাস জোগাবে হরমনপ্রীতদের। তবে মনে রাখতে হবে, ইংল্যান্ড ছন্দে আছে। এখনও পর্যন্ত টুর্নামেন্টে অপরাজিত। তাই রবিবারের লড়াই স্মৃতিদের কাছে মোটেও সহজ হবে না। বলা ভালো, এই ম্যাচের উপর টিম ইন্ডিয়ার সেমি-ফাইনালে ওঠার অঙ্ক অনেকটাই নির্ভর করবে।
গত ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ৩৩১ রানের টার্গেট দিয়েও জিততে না পারা অনেক প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে পাঁচ বোলার খেলানোর সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়েছে। একই ভুলের খেসারত দিতে হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও। চরণি ছাড়া আর কোনও বোলারকেই রেয়াত করেননি অ্যালিসা হিলিরা।
শুধু বোলারদের ঘাড়ে দায় চাপানো ঠিক হবে না। উইকেট ছিল ব্যাটিং প্যারাডাইস। দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও প্রতীকা রাওয়াল যেভাবে বড় রানের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন, তাতে অনায়াসেই টপতে যাওয়া যেত ৩৫০-এর গণ্ডি। কিন্তু শেষ সাত ওভারে ক্রমাগত উইকেট পতনের ফলে টিম ইন্ডিয়ার রানের গতি মন্থর হয়ে পড়ে। ফলে ৩৩০ রানেই আটকে যায় স্কোর। বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন জাগিয়ে রাখতে তিন বিভাগেই মেরামতি প্রয়োজন। তা নাহলে ঘরের মাঠেও ফের মুখ পুড়বে।