


শিলং: হানিমুন মার্ডার মামলার পরতে পরতে রহস্য। এবার গোয়েন্দাদের স্ক্যানারে নতুন চরিত্র। সঞ্জয় ভার্মা। ২৪ দিনে ১১৯ বার ফোন কল। বিয়ের আগে প্রেমিক রাজ কুশওয়া নয়, সঞ্জয়ের সঙ্গে ফোনে ঘনঘন কথা বলত সোনম রঘুবংশী। ১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত সোনমের কল লিস্ট থেকে পুলিস এই তথ্য জানতে পেরেছে। জানা যাচ্ছে, এই মুহূর্তে সঞ্জয়ের ফোন সুইচড অফ রয়েছে। কেন এতবার ফোনে কথা দুজনের? খুনের ঘটনার সঙ্গে ওই যুবক কী কোনও ভাবে জড়িত? তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। ইতিমধ্যেই, খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেছে পুলিস। সূত্রের খবর, সোনমের স্বামী রাজা রঘুবংশীকে দা দিয়ে কোপায় অভিযুক্ত বিশাল সিং। তখন ঘটনাস্থলেই ছিল সোনম। রক্তাক্ত রাজা চিৎকার শুরু করলে সেখান থেকে পালিয়ে যায় সোনম। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর ফিরে আসে। পুলিসের দাবি, সোনম শুধু খুনের ষড়যন্ত্রই করেনি। ভাড়াটে খুনিদের হত্যাকাণ্ড শুরুর সিগন্যালও দিয়েছিল। রাজার দেহ লোপাট করতেও সাহায্য করেছিল সে।
অন্যদিকে নিখুঁত পরিকল্পনা করেও কেবল মাত্র হোয়াটসঅ্যাপের কারণেই ধরা পড়ে গিয়েছিল সোনম। পুলিস সূত্রে খবর তেমনটাই। জানা যাচ্ছে, ৪টি মোবাইল ছিল সোনম ও রাজা রঘুবংশীর কাছে। ২৩ মে খুনের পর রাজার মোবাইলটি ভেঙে দেয় সোনম। তারপর নিজের ৩টি ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় সে। ইন্দোরে গিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ দেখার জন্য একটি ফোনে সিম অ্যাক্টিভেট করে ডেটা অন করেছিল সোনম। সেই সূত্রেই গ্রেপ্তার হয় হানিমুন মার্ডার কেসের অন্যতম অভিযুক্ত। যদিও সোনমের ফোনগুলি এখনও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিস। ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশের বেশ কিছু জায়গায় সোনমের ফোনের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিস।