


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম পাওয়ারহাউস কেরল। মোহন বাগানের প্রথম জাতীয় লিগ জয়ী দলের কোচ টিকে চাত্তুনি থেকে বিজয়ন, পাপ্পাচান কিংবা জো পল আনচেরি— কেরলের উপহার নেহাত কম নয়। দক্ষিণের ফুটবল হাবেই মঙ্গলবার হংকংয়ের বিরুদ্ধে নামছে খালিদ ব্রিগেড। এএফসি এশিয়ান কাপের মূলপর্বে পৌঁছানো অসম্ভব। তাতে কী! চলতি টুর্নামেন্টে প্রথম জয়ের খোঁজে মরিয়া ভারতীয় কোচ। প্রাক্তনরাও সাগ্রহে তাকিয়ে ম্যাচের দিকে। মুঠোফোনে জো পল আনচেরির বার্তা, ‘দেখবেন কোচিতে ভালো ফল হবেই। আর্দ্রতা রয়েছে বেশ। বড় মাঠে বল ধরে খেললে হংকংকে বিড়ম্বনায় ফেলা সম্ভব। আমাদের সবার শুভেচ্ছা রইল।’
গত কয়েকদিন ধরেই কোচিতে ট্রেনিং করছে জাতীয় দল। ১০ বছর পর এখানে খেলবে ব্লু টাইগার্স। ফুটবল পাগল শহরে প্রবল উন্মাদনা। তবে বিতর্কও কম নেই। আসলে ভাড়া না মেটানোয় স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ গেটে তালা দিয়ে রেখেছিলেন। তা নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। তবে সব বিতর্ক এখন অতীত। হংকংকে বশ মানাতে ফুটছে গোটা দল। অ্যাওয়ে ম্যাচে ০-১ গোলে বশ মানে খালিদ ব্রিগেড। বিশেষজ্ঞদের মতে কোচির চেনা পরিবেশে আগ্রাসী ফুটবল খেলা উচিত ব্লু টাইগার্সের। কিন্তু খালিদ উলটো পথের পথিক। রক্ষণ জমাট রেখে আল্ট্রা-ডিফেন্সিভ স্ট্র্যাটেজি তাঁর পছন্দ। মাঝমাঠে জোড়া ব্লকার খেলাতে অভ্যস্ত তিনি। তবে লিস্টন কোলাসো, রায়ান উইলিয়ামসের মতো উইঙ্গার রয়েছেন দলে। প্রয়োজনে ছাংতেও গতির বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম। কিন্তু স্ট্রাইকার কে? এর আগে ইরফান কিংবা রহিম আলিকে সিঙ্গল স্ট্রাইকার হিসাবে ব্যবহার করেছেন খালিদ। তেমন দাগ কাটতে পারেননি কেউই। সেক্ষেত্রে মনবীর সিংকে ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। আসলে লক্ষ্যভেদই এই দলের প্রধান সমস্যা। বিপক্ষের ডিফেন্সিভ থার্ডে বল হোল্ড করার লোকের অভাব প্রকট। ম্যাচের আগে খালিদের মন্তব্য, ‘দলের প্রস্তুতিতে খুশি। ফুটবলাররা নিশ্চয়ই উজাড় করে দেবে।’
ম্যাচ শুরু সন্ধ্যা ৭টায়। সম্প্রচার ফ্যান কোড অ্যাপে।