


আমেদাবাদ, ৮ ফেব্রুয়ারি: কিউয়িদের হেলায় হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারত। ৯৬ রানে জয়ী হল টিম ইন্ডিয়া। আজ, রবিবার টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয় ভারত ও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। এদিন আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কিউয়িদের অধিনায়ক মিচেন স্যান্টনার। শুরুটা বেশ ভালই করে ভারত। ওপেনার অভিষেক শর্মা ২১ বলে ৫২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। এরপর রবীন্দ্রর বলে টিমের হ্যাতে ক্যাচ তুলে আউট হন তিনি। দলের হাল ধরেন স্যামসন এবং ঈশান। দু’জনেই হাফসেঞ্চুরি করেন। সঞ্জু ৮৯ রানে এবং কিশান ৫৪ রানে আউট হন। খাতা খুলতে পারেননি টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। জেমসের বলে রবীন্দ্রর হাতে ক্যাচ তুলে ০ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান তিনি। এরপর ১৮ রান করে হেনরির বলে স্যান্টনারের হাতে কাচ তুলে আউট হন হার্দিক। তিলক ৬ বলে ৮ রান এবং শিবম ৮ বলে ২৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। শেষে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ডকে ২৫৬ রানের টার্গেট দেয় টিম ইন্ডিয়া।
শুরুটা খুব একটা ভাল হয়নি কিউয়িদের। প্রথম ওভারে অ্যালেনের ক্যাচ ফেলে দেন শিবম। কিন্তু ৯ রানের মাথায় অক্ষর প্যাটেলের বলে তিলকের হ্যাতে ক্যাচ তুলে আউট হন ফিন অ্যালেন। এরপর ১ রান করে বুমরাহের বলে ঈশানের হাতে ক্যাচ তুলে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান রবীন্দ্র। দলের ৩৫ রানের মাথায় ২ উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড দল। তৃতীয় উইকেট ফিলিপ্স। ৫ রানের মাথায় তাঁকে বোল্ড করে দেন অক্ষর। ৩ রান করে হার্দিকের বলে আউট হন মার্ক চ্যাপম্যান। তবে দলের হয়ে একা লড়াই করছিলেন কিপার টিম সেইফের্ট। কিন্তু তিনি ৫২ রান করে বরুণ চক্রবর্তীর বলে আউট হন। বাউন্ডারি লাইনের কাছে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন ঈশান। ৯ ওভারে ৮৩ রানের মাথায় ৫ উইকেট হারিয়ে তখন বেসামাল কিউয়িরা। এরপরও উইকেট পড়া অব্যাহতই থাকে। ১৭ রানে আউট হন মিচেল। জেমস নিশাম (৮) এবং ম্যাট হেনরিকে (০) পরপর দুটি বলে বোল্ড করেন বুমরাহ। দলকে অক্সিজেন যোগানোর মরিয়া প্রয়াস করেছিলেন অধিনায়ক স্যান্টনার। কিন্তু তিনিও ৪৩ রানে বুমরাহের বলে বোল্ড হন। শেষে জ্যাকবকে ৩ রানে আউট করেন অভিষেক শর্মা। ১৯ ওভারে ১৫৯ রানে অলআউট হয়ে যায় কিউয়িরা। ৯৬ রানে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে ৪টি উইকেট তুলে নেন বুমরাহ। ৩টি উইকেট নেন অক্ষর। ১টি করে উইকেট পান হার্দিক, বরুণ এবং অভিষেকরা। প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ হন বুমরাহ এবং প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ হন সঞ্জু স্যামসন।