


মিলান: ২০০৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ অনুশীলন। কোচ মার্সেলো লিপ্পিকে পাশে দাঁড় করিয়ে গোটা দলকে তাতিয়েছিলেন অধিনায়ক জিয়ানলুগি বুফোঁ। দুরন্ত ছন্দে থাকা ফ্রান্সের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের আগে সেই বার্তাই বাকি ফুটবলারদের মধ্যে বাড়তি আত্মবিশ্বাস সঞ্চার করেছিল। দীর্ঘ দু’দশক বাদে মঙ্গলবার বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের প্লে-অফের ফাইনালে নামার আগে সেই দায়িত্বই কাঁধে তুলে নিলেন সেই দলের অন্যতম সদস্য তথা বর্তমান কোচ জেনারো গাত্তুসো। সোমবার ফ্লোরেন্সের একটি মাঠে অনুশীলনের শুরুতে ফুটবলারদের উদ্বুদ্ধ করলেন তিনি। আসলে গত দু’বার বিশ্বকাপের মূলপর্বে যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ আজ্জুরি ব্রিগেড। লজ্জার হ্যাটট্রিকের হাত থেকে রেহাই পেতে মঙ্গলবার বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে জয় পেতে মরিয়া চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
২০১৮ ও ২০২২— প্রতিবারই প্লে-অফের লড়াই থেকে ছিটকে গিয়েছিল ইতালি। এবারও বাছাই পর্বের গ্রুপ পর্বে নরওয়ের কাছে হেরে সরাসরি বিশ্বকাপের টিকিট অর্জনের আশা স্বপ্নভঙ্গ হয় আজ্জুরিদের। তবে প্লে-অফের সেমি-ফাইনালে নর্দান আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২ গোলে জয় দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়েছে। বিশেষত ম্যাচের পর গোটা ইতালি দল সেলিব্রেশন বলে দিচ্ছিল, ফাইনালেও জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তারা। এই প্রসঙ্গে দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার ফেডেরিকো ডিমার্কো জানান, ‘ওটা ছিল নিছকই এক উচ্ছ্বাসের বহিঃপ্রকাশ। কোনও প্রতিপক্ষকেই আমরা হালকাভাবে নিচ্ছি না। বিশেষত প্লে-অফের ফাইনাল অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলতে হবে। আর সম্প্রতি বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় তুষারপাত হয়েছে। তাই মাঠের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটা বেশ চ্যালেঞ্জিং।’ কৌলিন্যের নিরিখে ইতালির চেয়ে অনেকটাই পিছিয়ে বসনিয়া-হার্জেগোভিনা। ফিফা র্যাংকিংয়ের অবস্থানেও তা স্পষ্ট। তবে প্লে-অফের ফাইনালে তাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ আজ্জুরিরা।