


সংবাদদাতা, মালদহ: ধনতেরসের মতোই অক্ষয় তৃতীয়ার পূণ্যলগ্নে সোনা কেনার রীতি রয়েছে। স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা তাই অক্ষয় তৃতীয়ায় লাভের আশায় থাকেন। তাছাড়া বিয়ের মরশুমও শুরু হয়ে গিয়েছে। স্বভাবতই বেড়েছে সোনার চাহিদা।
তবে, সোনার দর মধ্যবিত্তের ক্রমশ চড়তে থাকলেও চিরাচরিত রীতি বজায় রাখতে সামান্য হলেও সোনা কেনার প্রবণতা রয়েছে অনেকের মধ্যে। এই বিষয়টিই আশা জোগাচ্ছে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের। পাশাপাশি, পয়লা বৈশাখের পর অক্ষয় তৃতীয়া উপলক্ষ্যে মিষ্টির চাহিদা তুঙ্গে থাকবে বলে আশায় বুক বাঁধছেন মিষ্টি ব্যবসায়ীরা।
অক্ষয় তৃতীয়ায় নিজেদের ধনসম্পদ, স্বাস্থ্য ইত্যাদি অক্ষয় রাখার প্রার্থনা করেন অনেকেই। এই তিথিতে বলে একদিকে মালদহের বিভিন্ন মন্দিরে বিশেষ পুজো দিতে ছুটে যান মানুষ,তেমনই অনেকেই এই শুভ দিনে সোনার মতো মূল্যবান ধাতু কেনার চেষ্টা করেন।
বঙ্গীয় স্বর্ণশিল্পী ও ব্যবসায়ী সমিতির অন্যতম জেলা পদাধিকারী উজ্জ্বল সরকার বলেন, একথা ঠিকই অক্ষয় তৃতীয়ায় সোনা কেনার রীতি রয়েছে। এই বিশেষ তিথিতে আমরাও যথেষ্ট সোনা বিক্রির প্রত্যাশা করি।আশা করি ক্রেতারা বিমুখ করবেন না
স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বলেন, যাঁরা ১০ গ্রাম সোনার অলঙ্কার কেনার কথা ভেবেছিলেন, তাঁরা হলুদ ধাতুর দামের কথা ভেবে হয়ত কিছুটা কম কিনছেন। তবে সাধারণ মানুষ কষ্ট করেও সামান্য সোনা কেনার চেষ্টা করছেন অক্ষয় তৃতীয়ায়। সেটাই আমাদের ভরসা।
তবে ভালো বিক্রির আশা রয়েছে মিষ্টি ব্যবসায়ীদের মধ্যে। মকদুমপুর এলাকার মিষ্টি ব্যবসায়ী বিভাস সর্দার বলেন, অক্ষয় তৃতীয়ায় মিষ্টির চাহিদা পয়লা বৈশাখের মতোই বেশি থাকে। আমরা তাই মালদহের ঐতিহ্যবাহী কানসাটের চমচম, রসকদম্বের পাশাপাশি সন্দেশ তৈরি করছি যথেষ্ট পরিমাণে। একই সঙ্গে থাকছে কুচো ও খাস্তা নিমকি।
অক্ষয় তৃতীয়ায় অনেকেই ছোটেন মালদহের মনস্কামনা বা জহরাতলায় পুজো দিতে। এবার প্রবল গরমের মধ্যেও এই দুই মন্দিরে পুজো দিতে ভিড় জমাবেন বলে জানিয়েছেন মালদহ শহরের অনেক বাসিন্দাই।