


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পরনে সাদা টি-শার্টের উপর জিপ-আপ জ্যাকেট। যার দু’হাতে লাল স্ট্রাইপ। শুক্রবার বিকেলে সূর্যকুমার যাদব কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বেরোতেই ‘ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়া’ স্লোগানে কেঁপে উঠল চত্বর। সূর্যের মুখেও হাসির ঝিলিক। কল্লোলিনি তিলোত্তমার ক্রীড়াপ্রেম তাঁর অজানা নয়। দীর্ঘদিন কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সিতে খেলেছেন তিনি। তবে এখন তাঁর কাঁধেই গুরুদায়িত্ব! টিম ইন্ডিয়ার ক্যাপ্টেন স্কাই। রবিবার চেনা মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে দলকে সেমি-ফাইনালে তোলাই তাঁর লক্ষ্য। অনুরাগীদের দিকে হাত নাড়িয়ে এদিন আশ্বস্ত করলেন সূর্য। তারপর দুলকি চালে উঠে পড়লেন টিম বাসে। এরপর কোচ গৌতম গম্ভীর, হার্দিক পান্ডিয়া, যশপ্রীত বুমরাহরা একে একে বাসে উঠলেন। শুক্রবার অবশ্য তাঁরা হোটেলে বিশ্রাম নিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় সূর্যকুমাররা চূড়ান্ত মহড়ায় নেমে পড়বেন ক্রিকেটের নন্দন কাননে। পিতৃহারা রিঙ্কু সিং অবশ্য টিমের সঙ্গে কলকাতায় আসেননি। বাবার শেষকৃত্যে যোগ দিতে চেন্নাই থেকেই বাড়ি ফিরেছেন। রবিবার সকালে দলে যোগ দিতে পারেন তিনি।
মেগা সানডে ইডেনে সুপার এইটে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ অঘোষিত কোয়ার্টার-ফাইনাল। স্বভাবতই ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। পাশাপাশি এই ম্যাচে রানের বন্যা বইতে পারে। কারণ, খেলা হবে স্কটল্যান্ড-ইতালি ম্যাচের পিচে। সেদিন স্কোরবোর্ডে দুশোর বেশি রান তুলেছিল স্কটিশরা। ইডেনের উইকেটে বাউন্সও থাকার কথা। তাই যশপ্রীত বুমরাহ, অর্শদীপ সিংদের জন্যও সুবিধা থাকছে। শুক্রবার মাঠে কভার পড়ার আগে পিচ পর্যবেক্ষণ করেছেন সিএবি সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি। দীর্ঘক্ষণ পিচ কিউরেটর সুজন মুখার্জির সঙ্গে আলোচনাও করতে দেখা যায় প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ককে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের চিফ কিউরেটর আশিস ভৌমিকও। পিচ দেখে সন্তুষ্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। তাঁর কথায়, ‘স্পোর্টিং উইকেট। উপভোগ্য ম্যাচ হবে। কিন্তু, ভারত ফেভারিট নয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে সাত-আট নম্বর পর্যন্ত পাওয়ার হিটার রয়েছে। তাছাড়া বরুণ চক্রবর্তীকে সহজে খেলে দিচ্ছে বিপক্ষ ব্যাটাররা, যা চিন্তার। তবে ম্যাচের রং বদলে দিতে পারে বুমরাহ।’