


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রয়াত কিংবদন্তী মার্শাল আর্টিস্ট ব্রুস লি এবং বিশ্বখ্যাত সিনথিয়া রথরক তাঁর দুই ‘গুরু’। তিনি আর জি করের অতিরিক্ত সুপার এবং রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের পাবলিক হেলথ অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস ক্যাডারের চিকিৎসক-আধিকারিক ডাঃ (মেজর) দ্বৈপায়ন বিশ্বাস। এবার তিনি বিশ্বখ্যাত কোরিয়ান মার্শাল আর্ট তাইকোন্ডোতে ‘ফোর্থ ডান’ উপাধির অধিকারী হলেন। এক্ষেত্রে তিনি দেশের প্রথম বাঙালি চিকিৎসকও বটে। ভারতীয় সেনার এই প্রাক্তন আধিকারিক ২০২২ সালে ‘থার্ড ডান’ হয়েছিলেন। শনিবার চতুর্থ ডানের খেতাব হাতে পেয়ে ডাঃ বিশ্বাস বলেন, ‘২০১৫ সাল থেকে তাইকোন্ডো অভ্যাস শুরু করি। ১০ বছরে ফোর্থ ডান হলাম। সর্বোচ্চ নবম ডান হওয়াই লক্ষ্য।’ তাইকোন্ডো শব্দের অর্থ কিক এবং পাঞ্চ মারার বিশেষ কৌশল। তবে ৫২ বছরের প্রাক্তন সেনাকর্তার কথায়, ‘আসলে তাইকোন্ডো এর থেকে অনেক অনেক বেশি কিছু। একটি জীবনদর্শন। সংযম, আত্মবিশ্বাস, আত্মনিয়ন্ত্রণ, অপরকে শ্রদ্ধা, জনসংযোগ এবং অবশ্যই মাথা ঠান্ডা রাখার জীবনশৈলী। তাইকোন্ডো শিক্ষা আমার কর্মজীবনেও প্রচুর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।’ ওয়ার্ল্ড তাইকোন্ডো হেডকোয়াটার্সের নিয়ম অনুযায়ী, ব্ল্যাক বেল্টের পর ধাপে ধাপে চতুর্থ ডান হওয়ার অর্থ সেই শিক্ষার্থী এবার প্রশিক্ষক বা ‘মাস্টার’ হয়ে উঠলেন। এখন থেকে তিনি চাইলে ব্ল্যাক বেল্ট ডিগ্রি দিতে পারবেন। আর ‘সিক্সথ ডান’ হলে তিনিই হয়ে উঠবেন সেরার সেরা—‘গ্র্যান্ডমাস্টার’। প্রসঙ্গত, দ্বৈপায়নবাবুর মেয়ে শিবাঙ্গী (সেকেন্ড ডান) বাবার চেয়ে মাত্র দুই ধাপ পিছিয়ে রয়েছেন।