


সদ্য মুক্তি পেয়েছে ‘দো দিওয়ানে সহর মে’। এই ছবিতে কাজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুর।
আপনার ওজন অনেক কমে গিয়েছে!
অসুস্থ ছিলাম। তাই ওজন কমেছে। আশা করি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যাব।
জীবনে অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হয়েছেন কখনো?
শৈশব থেকেই অনিশ্চয়তার মুখোমুখি হয়েছি। ধরুন, ক্লাসে প্রশ্নের উত্তর জানতাম। কিন্তু ইংরেজিতে বলতে সাহস পেতাম না। আমার উচ্চারণে মারাঠি টান রয়েছে। আর নামের জন্য অনেকেই মজা করত। ইন্ডাস্ট্রিতে আসার পর নিজের উচ্চারণ নিয়ে সচেতন ছিলাম। কিন্তু আজ বুঝি, নিজের মতো থাকলে তবেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করে যেতে পারি।
যাঁরা তথাকথিত সুন্দর, তাঁদেরও তো ইন্ডাস্ট্রিতে সমস্যার মুখে পড়তে হয়?
অবশ্যই হয়। অনেকে ভাবেন, সুন্দর হলেই সব সহজ হয়ে যায়। কিন্তু বাস্তবটা আলাদা। সকলের আলাদা সংগ্রাম থাকে। কখনো কখনো আমি অত্যন্ত স্বাভাবিক জীবন চাই। পরিবারের সঙ্গে বাইরে ডিনার করতে, কোনো অনুষ্ঠানে যেতে চাই। কিন্তু সেটা সম্ভব হয় না।
এই ছবিতে অভিনয় করলেন কেন?
ভালোবাসাকে আবেগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে এখানে। সোশ্যাল মিডিয়ার দুনিয়ায় হারিয়ে যাওয়া মানুষদের জীবনে এই ছবি প্রভাব ফেলবে।
সিদ্ধান্ত চতুর্বেদীর সঙ্গে প্রথম কাজ, কেমন লাগল?
ও ভীষণ পরিশ্রমী, ফোকাসড। আমি ওকে স্কুটিতে করে মুম্বই ঘুরিয়েছি। আমার বেশ কিছু প্রিয় জায়গা দেখিয়েছি।
সঞ্জয়লীলা বনশালীর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন?
প্রত্যেক অভিনেতাই জীবনে অন্তত একবার বনশালী স্যারের সঙ্গে কাজ করতে চান। ‘সীতা রামম’ ছবিটি দেখে উনি আমার প্রশংসা করেছিলেন, এর থেকে বড়ো প্রাপ্তি আর কী হতে পারে! এবার এই ছবির প্রযোজক সঞ্জয়লীলা স্যার। ভীষণ ভালো অভিজ্ঞতা। ওঁর ছবিতে কাজের সুযোগ পাওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড়ো পুরস্কার বলে মনে করি।
আপনার বিয়ে নিয়ে নানা গুঞ্জন চর্চায়। কী বলবেন?
বিয়ে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। তবে সঠিক মানুষের সঙ্গে (হাসি)। ধৈর্য ধরে সঠিক মানুষের অপেক্ষায় রয়েছি।
‘সঠিক মানুষ’ বলতে?
তাঁকে পরিবারের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। কেবল তাঁর নিজের পরিবার নয়, আমার পরিবারকেও যেন সম্মান করেন, সেটা জরুরি। আমাকে সবসময়, প্রতিমুহূর্তে যেন প্রশ্নের মুখে পড়তে না হয়। আমার প্রশংসা করবেন, আমার সঙ্গে থাকবেন, ব্যাস!
দক্ষিণ ও হিন্দি... দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই আপনি কাজ করেছেন। কী পার্থক্য চোখে পড়ল?
কেবল ভাষা আলাদা। বাকি সব প্রায় একই। হিন্দি ছবির শ্যুটিং খুব কম সময়ে হয়। আমরা ৩৮ দিনে একটি ছবি শেষ করেছি। অথচ দক্ষিণে একটি ছবির শ্যুটিং ১২৫ দিন চলেছিল। তবে দু’টি ইন্ডাস্ট্রির সৌন্দর্যই হল দর্শক।
শামা ভগত মুম্বই