


লখনউ, ২০ আগস্ট: চার মাসে ১০টি মামলায় ২২ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়ে শিরোনামে বিচারক রবি কুমার দিবাকর। উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগরের অতিরিক্ত জেলা এবং দায়রা আদালতের বিচারকের এহেন ধারাবাহিক রায় নিয়ে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। এদিকে, তাঁর ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে আরও শ’খানেক মামলা। যেগুলিতে দোষী সাব্যস্ত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ফাঁসির সংস্থান আছে। ফলে বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবী মহলে সৃষ্টি হয়েছিল আতঙ্ক। এই আবহে বিচারক দিবাকরের আদালত থেকে মামলাগুলি স্থানান্তরিত করা হল। যা কার্যত নজিরবিহীন বলে মত আইনজীবীদের একাংশের।
জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রমোদ ত্যাগী জানিয়েছেন, বিচারক দিবাকরের এজলাসে চলা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতে পারে- এমন আশঙ্কা ছিল আইনজীবী ও মামলাকারীদের মধ্যে। বিচারক দিবাকরের আদালতে চলা খু.নের মামলার শুনানি এবার থেকে জেলা ও দায়রা বিচারক বীরেন্দ্র কুমার সিংয়ের এজলাসে হবে বলে জানা গিয়েছে।
কে এই বিচারক রবি কুমার দিবাকর
আদতে লখনউয়ের বাসিন্দা রবি কুমার দিবাকরের বিচারক হিসেবে কর্মজীবন শুরু ২০০৯ সালে। আজমগড়ে অতিরিক্ত দায়রা বিচারক হিসেবে। ২০১৫ সালে মে মাসে তিনি সুলতানপুরে দায়রা বিচারক হন। এর পাঁচ মাসের মাথায় উন্নীত হন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে। গত বছরের নভেম্বর থেকে তিনি মুজফফরনগরের অতিরিক্ত জেলা এবং দায়রা আদালতের বিচারক হিসেবে কর্মরত।
এর আগেও সংবাদ শিরোনামে এসেছিলেন বিচারক রবি কুমার দিবাকর। ২০২২ সালে। সেবার জ্ঞানবাপী মন্দির চত্বরের ভিডিয়োগ্রাফি সার্ভের নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। যা নিয়ে প্রবল বিতর্ক সৃষ্টি হয়।
৪ মাসে ২২ জনকে মৃত্যুদণ্ড
এপ্রিল থেকে আগস্টে গত চারমাসে ১০টি মামলায় ২২ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন বিচারক রবি কুমার দিবাকর। তাঁর রায়ের তালিকায় রয়েছে আইনজীবী খুন, হোমগার্ড খুনের মতো মামলা।